জানুয়ারীতেই ঘেমেনেয়ে অস্থির রাজ্যবাসী। গত পাঁচ বছরে রেকর্ড তাপমাত্রা গড়ল রাজ্য।

জানুয়ারীতেই ঘেমেনেয়ে অস্থির রাজ্যবাসী। গত পাঁচ বছরে রেকর্ড তাপমাত্রা গড়ল রাজ্য।

নজরবন্দি ব্যুরো:  জানুয়ারীতেই ঘেমেনেয়ে অস্থির রাজ্যবাসী । মকর সংক্রান্তির আগেই রাজ্য থেকে উধাও শীত। ভরা পৌষেও গরমে বেহাল বাংলা। শীতের আমেজ নেই বললেই চলে! সঙ্গে আবার আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ, যা সাধারণত বর্ষাকালে থাকে। ফলে প্যাচপ্যাচে ঘামে অস্বস্তি চরমে পৌঁছেছে রাজ্যবাসীর। সবমিলিয়ে আরও ব্যাকফুটে শীত। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় শীতের আমেজ একেবারেই মিলবে না এমনটাই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের।

আরও পড়ুন: ২০২১ এর ক্যালেন্ডার দেখেছেন? যেন ১৯৭১ সালের প্রতিবিম্ব!

জানুয়ারীতেই ঘেমেনেয়ে অস্থির রাজ্যবাসী । তবে আশার কথা এই যে বুধবারের পর থেকে সামান্য হলেও তাপমাত্রার পারদ খানিকটা নামতে পারে। তবে শীত কতটা ফিরবে, তা নিয়ে সংশয়ে হাওয়া দপ্তর। আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৭ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। যা এই মরসুমে রেকর্ড। দার্জিলিং ৫.২ ডিগ্রি। পাহাড়ের জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা বেড়েছে। কোচবিহারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি, জলপাইগুড়ি ১৩, কালিম্পং ৮ ডিগ্রি। গত ৫ বছরে উষ্ণতম ১১ জানুয়ারি।

গত কয়েক দিন ধরেই সমতল এবং পাহাড়ে তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তুরে শীতল বাতাস রাজ্যে ঢুকতে বাধা পাচ্ছে। অন্য দিকে পূবালী হাওয়ার দাপট বাড়ছে। এই দু’য়ের প্রভাবেই পৌষের শেষ হওয়ার আগেই রাজ্যে শীত উধাও।

জানুয়ারীতেই ঘেমেনেয়ে অস্থির রাজ্যবাসী , সমতলে জেলার তাপমাত্রা ১৭ থেকে ২০ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ১৩ থেকে ১৭ জানুয়ারির মধ্যে তাপমাত্রার কিছুটা পতন হবে। তবে খুব বেশি নয়। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪-১৬ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। তবে কনকনে ঠান্ডা পড়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x