‘পেটে সওয়াতে’ সংক্রান্তির আগে চোখ বুলিয়ে নিন ‘ দুধ পুলি ‘- এর রেসিপিতে।

‘পেটে সওয়াতে’ সংক্রান্তির আগে চোখ বুলিয়ে নিন ‘ দুধ পুলি ‘- এর রেসিপিতে।

নজরবন্দি ব্যুরো: ‘পেটে সওয়াতে’ সংক্রান্তির আগে চোখ বুলিয়ে নিন ‘ দুধ পুলি ‘- এর রেসিপিতে। বাংলায় শীতকাল আসবে আর পিঠেপুলি আসবে না তাই কখনো হয়? সে এবার যদি ভরা শীতের মধ্যেই বাংলায় গরম পড়ে যায়, দুম করে তাপমাত্রা ৩ থেকে ২৩ হয়ে যায় তাতে কি খেজুর গুড় আর পিঠে পুলির কিছু করার আছে?? না কিছু করার আছে বাঙালির? সামনেই আসছে মকরসংক্রান্তি । ভীষন শীতে টলটলে পুকুরে ডুব দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা কাটানো নাইবা হলো , রান্না ঘরে ডেকচি ভর্তি করে পিঠে থাকবে ঠিক। আর কথায় তো আছেই পিঠে খেলে পেটে সয়। অতএব গেট রেডি। দু মিনিট পড়ুন, আর রান্না ঘরে গিয়ে বানিয়ে ফেলুন ‘দুধ পুলি’।

আরও পড়ুনঃ মেদিনীপুর থেকে নন্দীগ্রাম সর্বত্র ‘ব্যর্থ’ শুভেন্দুকে ব্রাত্য রাখা হল নাড্ডার রোড শো এবং সভামঞ্চে।

যা যা লাগবে – চালের গুড়ি ১কাপ। গরম জল ১কাপ। ঘি – ১-২ চামচ। অল্প নুন অল্প চিনি। গুড় – ১/২ কাপ । দুধ – ২-২.৫ লিটার এলাচ – ৪ /৫ ক্ষীর- ১ কাপ নারকেল কোরা – ৩ কাপ পদ্ধতি- প্রথমে বানিয়ে নিন দুই ধরনের পুর। যেগুলো পিঠের মধ্যে দেবেন। প্রথমে কড়াইয়ে এক চামচ ঘি দিয়ে এলাচ দিয়ে কোরা নারকেল দিয়ে একটু ভেজে নিয়ে সাথে গুড় মিশিয়ে আরো খানিকক্ষণ নাড়তে থাকুন। যখন বিষয়টি ভালো ভাবে মিশে গিয়ে শুকিয়ে আসবে গ্যাস বন্ধ করে ঠান্ডা হতে দিন। ওপর দিকে হাফ ১ লিটার কড়াইয়ে দুধ বসিয়ে ফুটিয়ে নিন। দুধ একটু গাঢ় হলে তাতে ২ টো এলাচ দিয়ে চিনি দিয়ে ঘেঁটে নিন, তার পর তাতে এক কাপ ক্ষীর ঢেলে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন শুকিয়ে আসা পর্যন্ত।

নামিয়ে ঠাণ্ডা করে দুটি পাত্রে ঢেলে রাখুন। এবার একটি পাত্রে জল গরম করে সেখানে চালের গুড়ি ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন,সাথে অল্প নুন আর অল্প চিনি দিয়ে ঘেঁটে নিন।এবার ভালোভাবে মিশে গেলে তা ঠান্ডা করে নিন। ঠাণ্ডা হলে হতে অল্প ঘি নিয়ে ভালো ভাবে ঠেসে নরম করে মেখে নিন। অন্যদিকে গ্যাসে বাকি দুধ ফুটতে বসিয়ে দিন অল্প চিনি ও ২ টো এলাচ দিয়ে। এবার মন্ড থেকে সমান করে লেচি কেটে রাখুন ।

‘পেটে সওয়াতে’ সংক্রান্তির আগে চোখ বুলিয়ে নিন ‘ দুধ পুলি ‘- এর রেসিপিতে। এবং সেগুলোকে হাতের তালুতে গোল করে নিয়ে কোনটার মধ্যে ক্ষীর বা কোনটার মধ্য নারকেল পুর দিয়ে গোলাকার বা চাঁদের মতো ছোট ছোট নকশা বানিয়ে নিন। তারপর অল্প ভেজা হাতে ভালো ভাবে পুর দিয়ে বন্ধ করে দিন যাতে সেদ্ধ হওয়ার সময় পুর বেরিয়ে না আসে। এবার ফুটন্ত দুধ খানিকটা মরে আসলে তার মধ্যে পিঠে ছেড়ে দিন। ঠিকঠাক সেদ্ধ হয়েছে কিনা বোঝার জন্য লক্ষ রাখবেন কখন পিঠে গুলো ভেসে উঠছে। ভেসে উঠলেই জানবেন সেদ্ধ হয়েছে ঠিকঠাক। এবার- গরম গরম স্বাদ নিন সংক্রান্তির পিঠে পুলির।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x