কোভিশিল্ডের দুই ডোজের ব্যবধান নিয়ে ফাউজির আশঙ্কা প্রকাশের পরেই সাফাই কেন্দ্রের।

কোভিশিল্ডের দুই ডোজের ব্যবধান নিয়ে ফাউজির আশঙ্কা প্রকাশের পরেই সাফাই কেন্দ্রের।
কোভিশিল্ডের দুই ডোজের ব্যবধান নিয়ে ফাউজির আশঙ্কা প্রকাশের পরেই সাফাই কেন্দ্রের।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কোভিশিল্ডের দুই ডোজের ব্যবধান নিয়ে ফাউজির আশঙ্কা প্রকাশের পরেই সাফাই কেন্দ্রের। প্রথমে কেন্দ্র দুটি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের ডোজের মধ্যে ব্যবধান রাখার জন্য ১ মাস বা ২৮ দিনের কথা বললেও পরে তা পাল্টে করা হয় ৮৪ দিন বা ৬ মাস। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে তবে কি ভ্যাকসিনের আকাল ঠেকাতেই কি এমন নির্দেশিকা? যদিও স্বাস্থ্য মন্ত্রক সাফ জানিয়ে দেয় ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজ্য পুলিশ মোতায়ন মুকুলের বাড়িতে, ছাড়ছেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা।

এদিকে ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের মধ্যে ব্যবধান অনেকদিনের হলে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়বে। শুক্রবার আমেরিকার মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ডক্টর অ্যান্থনি ফাউজির বক্তব্যের পরে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে ভারতে অক্সফোর্ডের ফর্মুলায় তৈরি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে কী করা উচিত। ফাউজি বলেন ” এমআরএনএ টীকার মধ্যে আদর্শ ব্যবধানের সময় ৩-৪ সপ্তাহ। তার বেশি হলে সংক্রমণের ভয় উল্টে বেরে যায়।” তার এই মন্তব্যের পরেই একের পর এক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় কেন্দ্রকে। তার জবাব দিয়ে শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে নীতি আয়ােগের সদস্য ভিকে পল বলেন, ‘টিকার ডােজের মধ্যে সময়ের ব্যবধান নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রতিটি সিদ্ধান্তই অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে নিতে হবে। দুটি ডােজের মধ্যে সময়ের ব্যবধান বাড়ানাের সময় করােনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি আমরা চিন্তাভাবনা করেছি। তবে অন্যদিকে অধিকাংশ মানুষই কমপক্ষে টিকার একটি ডােজ পেলে রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বেশি থাকবে, সেই দিকটিও ভাবা উচিত। সমস্ত দিকগুলির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।’

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন শনিবার বলেন, ‘কোভিশিল্ডের দুটি ডােজের মধ্যে ব্যবধান বাড়ানাের সিদ্ধান্তটি দেশের করােনা পরিস্থিতির উপর বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়েও যদি সিদ্ধান্তে কোনও পরিবর্তন আনা হয়, তাও পরামর্শ মেনেই হবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here