টেট উত্তীর্ণ না হয়েও চাকরি করছেন প্রাথমিকে, বেনিয়মের শিখরে শিক্ষক নিয়োগ।

টেট উত্তীর্ণ না হয়েও চাকরি করছেন প্রাথমিকে, বেনিয়মের শিখরে শিক্ষক নিয়োগ।
টেট উত্তীর্ণ না হয়েও চাকরি করছেন প্রাথমিকে, বেনিয়মের শিখরে শিক্ষক নিয়োগ।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ টেট উত্তীর্ণ না হয়েও চাকরি করছেন প্রাথমিকে, ২০১৬-র নিয়োগে চরম বেনিয়ম ধরা পড়ল এবার। ভুয়ো ডাক্তার, আইএস, আইপিএসের পর এবার ভুয়ো শিক্ষক। পরীক্ষায় পাশই করেন নি, কিন্তু বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন ৫ বছর ধরে। নজিরবিহীন এই ঘটনায় নড়ে চড়ে বসেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ঘটনার বহর দেখে হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ ২০১৬-র পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে জনস্বার্থ মামলা শুরুর সুপারিশ করলো প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।

আরও পড়ুনঃ দুয়ারে রেশন প্রকল্পে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে পরিকাঠামো, পিছিয়ে যাচ্ছে ট্রায়ালের দিন।

নজিরবিহীন এই ঘটনায় চক্ষু চড়কগাছ হাইকোর্টের। টেট উত্তীর্ণ না হয়েও চাকরি করছেন প্রাথমিকে, এমন ভুয়ো শিক্ষকের খোঁজ শুধু উত্তর দিনাজপুর জেলাতেই পাওয়া গেছে ১৩ টি। এই ১৩ জন ২০১৬ সাল থেকে চাকরি করছেন প্রাথমিকে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতে, নিয়োগে স্বচ্ছতার স্বার্থে সম্পূর্ন নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা জরুরি। তাই এই মামলা জনস্বার্থ মামলা হিসেবে বিচারযোগ্য।

সূত্রের খবর কিছুদিন আগে উত্তর দিনাজপুরের এক কর্মরত শিক্ষকের চাকরি চলে যায়। কারণ প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের কাছে এই শিক্ষক কোন নথি দেখাতে পারেন নি। চাকরি চলে যাওয়ায় উত্তর দিনাজপুরের স্বদেশ দাস নামের জনৈক যুবক ২০১৬ সালে প্রাথমিকের শিক্ষক হিসেবে চাকরি ফেরত পাওয়ার জন্য মামলা করেন হাইকোর্টে। আর ঐ মামলাকে কেন্দ্র করেই সামনে আছে নজিরবিহীন বেনিয়ম।

টেট উত্তীর্ণ না হয়েও চাকরি করছেন প্রাথমিকে, বহাল তবিয়তে বেতন নিচ্ছেন ৫ বছর ধরে!

নথি না দেখানোর সপক্ষে যুক্তি দিয়ে যুবক শুধু উত্তর দিনাজপুর জেলাতেই কর্মরত ১২ জন শিক্ষকের নাম সামনে আনেন যারা টেট পাশ না করেই চাকরি করছেন প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে। উল্লেখ্য ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষায় বসেন ২২ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী। সেই পরীক্ষায় প্রেক্ষিতে ৪২ হাজার চাকরিপ্রার্থী শিক্ষকতার নিয়োগপত্র পান ২০১৬ সালে। যার মধ্যেই রয়েছেন একাধিক ভুয়ো শিক্ষক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here