মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান বাতিল করে শ্রমজীবী ক্যান্টিনে টাকা দিলেন ‘বামপন্থী’ শিক্ষক বাবা।

মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান বাতিল করে শ্রমজীবী ক্যান্টিনে টাকা দিলেন 'বামপন্থী' শিক্ষক বাবা।
মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান বাতিল করে শ্রমজীবী ক্যান্টিনে টাকা দিলেন 'বামপন্থী' শিক্ষক বাবা।

অঞ্জন বল, বালুরঘাটঃ মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান বাতিল করে শ্রমজীবী ক্যান্টিনে টাকা দিলেন ‘বামপন্থী’ বাবা।বাড়িতে জাকজমক করে মেয়ের জন্মদিন পালন না করে সেই অর্থে করোনা কালে বামেদের চালানো শ্রমজীবী ক্যান্টিনের মধ্যমে অসহায় মানুষদের মুখে খাবার তুলে দিলেন বাবা। আজ বালুরঘাট শহরের পুরবাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা বামপন্থা আদর্শে বিশ্বাসি শিক্ষক সুকুমার কর্মকার তার মেয়ে সিমরনের এভাবে জন্মদিন পালন করার উদ্যোগী হওয়ার ঘটনা সারা ফেলেছে জনমহলে।

আরও পড়ুনঃ ক্ষত-বিক্ষত দিঘা-মন্দারমণি, কবে ঘুরে দাঁড়াবে জানেনা কেউ।

মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান বাতিল করে শ্রমজীবী ক্যান্টিনে টাকা দিলেন ‘বামপন্থী’ শিক্ষক বাবা। তাঁর কথায়, “আমরা যখন মাংস ভাত কি মাছ ভাত খাচ্ছি, তখন অনেক মানুষ হয়তো এই করোনার অতিমারির চলা লকডাউনের সময়ে ডাল ভাতও জোটাতে পারছে না।” তাই এবার বাড়িতে একমাত্র মেয়ে সিমরনের এবারে ১৫ বছরে পা দিতে চলার জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠান বন্ধ করে, অনুষ্ঠানের জন্য জমানো টাকা মানুষের সেবায় এগিয়ে এসেছেন শিক্ষক সুকুমার কর্মকার।

খাবারের প্যাকেটে যেমন মাংস, , রয়েছে তেমনি মিষ্টান্ন ও রয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠতে পারে কেন শ্রমজীবী ক্যান্টিনের মধ্যেমে এই খাবার বিলি, তারও জবাব হাতের কাছে মজুত তার। যেহেতু তিনি বামপন্থায় বিশ্বাসী পাশাপাশি তিনিও এই ক্যান্টিনের সাথে জড়িত তাই তাদের বাহিনীর মধ্যমেই তিনি মেয়ের জন্মদিন পালনের রাস্তা বেছে নিয়েছেন।

রেশন থেকে বিনামূল্যে খাদ্যদ্রব্য বিলির ব্যবস্থা করেছে সরকার। লকডাউনে বাজারে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও দুঃস্থদের চাল, ডাল, আলু দিচ্ছেন অনেকেই। কিন্তু মাংস ভাত সহ টক ঝাল মিষ্টি সহ খাবার অনেককেই বিলি করতে এগিয়ে আসতে খুব মানুষকে দেখা গেছে। সেদিক দিয়ে সে শ্রমজীবী ক্যান্টিনের মধ্যমেই হোক না কেন একমাত্র মেয়ের জন্মদিন পালনে অসহায় মানুষের মধ্যে খাবারের প্যাকেট তুলে দিয়ে বালুরঘাটে নজির রাখলেন বালুরঘাটের শিক্ষক সুকুমার কর্মকার। আর তার এই কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছে বালুরঘাট শহরের মানুষজন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here