গোয়ার স্থলভাগে আছড়ে পড়ল টাউকেট, প্রবলক্ষতির আশঙ্কা পশ্চিম ও দক্ষিন উপকূলে।

গোয়ার স্থলভাগে আছড়ে পড়ল টাউকেট, প্রবলক্ষতির আশঙ্কা পশ্চিম ও দক্ষিন উপকূলে।
গোয়ার স্থলভাগে আছড়ে পড়ল টাউকেট, প্রবলক্ষতির আশঙ্কা পশ্চিম ও দক্ষিন উপকূলে।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গোয়ার স্থলভাগে আছড়ে পড়ল টাউকেট, প্রবলক্ষতির আশঙ্কা পশ্চিম ও দক্ষিন উপকূলে। আশঙ্কার মেঘ অবশেষে আছড়ে পড়ল স্থলভাগে। আম্ফানের স্মৃতি উস্কে দিয়ে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় টাউকটে বা টাউটে আছড়ে পড়লে গোয়ার উপকূলে। গোয়ার উপর দিয়ে অতিক্রম করার সময় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় ওই প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়।

আরও পড়ুনঃ সার্বিক টীকাকরণের লক্ষ্যে রাজ্যের মানুষকে দুই বিভাগে বণ্টন স্বাস্থ্য দপ্তরের।

গোয়ার পাশাপাশি কেরল ও কর্ণাটকেও চালায় তাণ্ডবলীলা। ভারতীয় উপকূল বরাবর উত্তর-পশ্চিম দিকের দিকে এগিয়ে চলেছে প্রবল ঘূর্ণিঝড়। এরপর ঝড়ের আসন্ন লক্ষ্য পশ্চিম উপকূলবর্তী গুজরাট। সাইক্লোনের প্রভাবে ইতিমধ্যেই পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতের ৬টি জেলায় শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। এছাড়াও কর্ণাটকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭৩টি গ্রাম। এখনও পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যু ঘটেছে। আগামীকাল গুজরাট ও দ্বারকায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া।

কোথাও কোথাও ১৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে। ঝড়ের কারণে ইতিমধ্যেই দক্ষিণ পূর্ব আরব সাগরে মাছ ধরার ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কেরল, কর্ণাটক, গোয়া ও মহারাষ্ট্র উপকূলে সতর্কতা জারি হয়েছে। অতি শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়ে দেশের পশ্চিম ও দক্ষিন উপকূলের রাজ্যগুলি মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হবে বলে আগেই আশঙ্কা করা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে এনডিআরএফ। ঝড়ের দাপট কমলেই তারা নেমে পরবে বিপর্যয় মোকাবিলায়।

গোয়ার স্থলভাগে আছড়ে পড়ল টাউকেট, প্রবলক্ষতির আশঙ্কা পশ্চিম ও দক্ষিন উপকূলে। দেশে ভয়ঙ্কর করোনা পরিস্থিতির মাঝে এমন ভয়ঙ্কর সাইক্লোনে কার্যত বিপর্যস্ত দেশের পশ্চিম ও দক্ষিনের রাজ্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here