কাবুলে তালিবানি ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার পর,মিশন কাশ্মীরের নির্দেশ আলকায়েদার

কাবুলে তালিবানি ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার পর,মিশন কাশ্মীরের নির্দেশ আলকায়েদার
কাবুলে তালিবানি ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার পর,মিশন কাশ্মীরের নির্দেশ আলকায়েদার

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বছর কাতারের রাজধানী দোহায়  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তালিবানদের যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তাঁর  প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ” আফগানিস্থানে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চুক্তি “। কিন্তু আশরাফ ঘানির দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পড় থেকেই সেই যেন ছেদ পড়েছে সেই চুক্তিতে। দিন যত এগিয়েছে ততই দেশ ছাড়ার ধুম দেখা দিয়েছে সেখানকার মানুষদের মধ্যে।

আরও পড়ুনঃমধ্যবিত্তের হেঁশেলে আগুন, ২৫ টাকা বেড়ে রান্নার গ্যাসের দাম হাজারের কাছে

তার পাশাপাশি আলকায়েদার সঙ্গে সমস্ত রকমের সম্পর্ক ছিন্ন করার প্রতিশ্রুতি ও দেওয়া হয়েছিল তালিবানিদের তরফ থেকে, তবে তা যে শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি আলকায়েদার শুভেচ্ছা বার্তা সেটাই প্রমান করল। তার পাশাপাশি এই জেহাদি সংগঠনের তরফ থেকে কাশ্মীর কে শত্রু মুক্ত করার যে দাবি তোলা হয়েছে তাঁতেও যথেষ্ট উদবিগ্ন হয়ে উঠেছে ভারত।

কাবুলে তালিবানি ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার পর,মিশন কাশ্মীরের নির্দেশ আলকায়েদার
কাবুলে তালিবানি ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার পর,মিশন কাশ্মীরের নির্দেশ আলকায়েদার

এই নিয়ে বিশ্লেষকদের এক অংশের দাবি ,তালিবানিদের হাতে আফগান প্রদেশের শাসন ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই গোটা বিশ্ব জুড়ে ইসলামি উগ্র পন্থা যথেষ্ট হারে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া কাশ্মীর কে কেন্দ্র করে বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে ভারত সরকার কে।

কাবুলে তালিবানি ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার পর, শত্রু মুক্ত কাশ্মীরের দাবি আলকায়েদার 

গত ৩০ শে আগস্ট  মধ্য রাতেই কাবুল ত্যাগ করে নিজেদের দেশের দিকে রওনা হয় মার্কিন সেনা, এরপর থেকেই আনন্দে মাতোয়া তালিবানিরা।তাদের এই সাফল্য কে কেন্দ্র করেই এক বিবৃতি জারি করে আলকায়েদা সেখানে বলা হয়,  “হে আল্লা, লেভান্ত, সোমালিয়া, ইয়েমেন, কাশ্মীর ও সমস্ত মুসলিম স্থানগুলি ইসলামের শত্রুদের হাত থেকে মুক্ত করো। বিশ্বজুড়ে সমস্ত মুসলিম বন্দিদের মুক্তি দাও।” যারফলে এই মুহূর্তে কাশ্মীর সীমান্ত অঞ্চলে বাড়তি নিরাপত্তা বাড়িয়েছে ভারত সরকার।

alkayeda 3

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here