প্রত্যাশামতোই বুধবার নদীয়ার বগুলায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের মৃত ছাত্রের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করল রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি দল। সেই দলে ছিলেন তিন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং যুবিনেত্রী সায়নী ঘোষ। সেখানে গিয়ে ব্রাত্য বসু নিহত ছাত্রের পরিবারকে বিচার পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলেন।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার আহ্বান জানালেন। ঠিক কী বলেছেন সুভাষ?
বিশ্ববিদ্যালয় রাগিং চলে। যেন বিশ্ববিদ্যালয়টায় যা খুশি করার জায়গা। মাদকদ্রব্য আগের ব্যবহার চলে অবাধে। সেই কারণেই এই স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন’।
নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর তদন্তে আরও ৬ জনকে গ্রেফতার করা হল। ধৃতদের মধ্যে তিনজন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন পড়ুয়া। এই ঘটনায়...
যে রাতে প্রথম বর্ষের ছাত্রটির মৃত্যু হয় সেই সময় পুলিশ খবর পেয়ে এলেও তাঁদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, এই কথা আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। এবার পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারছে, ঘটনার রাতে হস্টেলে ছেড়ে পালিয়ে যান অনেক প্রাক্তনী। প্রশ্ন, সেই কারণেই কি পুলিশকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি? তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টাতেই কি এই ধরনের কাজ করেন ছাত্রদের একাংশ?
যাদবপুরের প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। এবার নিহত ছাত্রের বাড়িতে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নদীয়ার হাঁসখালির বগুলা গ্রামে যাবেন তাঁরা। কে কে রয়েছেন এই দলে?
যাদবপুর ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় দায়ী মার্ক্সবাদীরা, সোমবারই চাঁচাছোলা ভাষায় বামেদের আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে এও জানান, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে তিনি একেবারেই পছন্দ করেন না। এবার যাদবপুরের দখল নেওয়া কীভাবে সম্ভব? তৃণমূল ছাত্র সংগঠনকে (TMCP) মন্ত্র দিলেন তৃণমূল নেত্রী। ক্ষমতায় এসে কমবেশি সব কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ই তৃণমূলের দখলে গেলেও, যাদবপুর আজও ব্যতিক্রম। তৃণমূলের ইউনিট থাকলেও সেখানে বামেদের লাল পতাকা আজও উড্ডীন। এবার যাদবপুরের দখল নিতে নেত্রী ঠিক কী বার্তা দিলেন?