দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, একটাই উদ্দেশ্য টাকা চাওয়া, কটাক্ষ সুকান্তর

দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, একটাই উদ্দেশ্য টাকা চাওয়া, কটাক্ষ সুকান্তর
দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, একটাই উদ্দেশ্য টাকা চাওয়া, কটাক্ষ সুকান্তর

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২২ তারিখ দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের কাছে বকেয়া টাকা চাইতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সারবেন তিনি। এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি আসার একটাই উদ্দেশ্য হল টাকা চাওয়া। কেন্দ্রের পাঠানো ওই টাকাকে রাজ্যের একাধিক প্রকল্পে ব্যবহার করে নাম কুড়ানোর চেষ্টা। 

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের প্রাপ্য আদায় করতে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা, বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর সাথে।

রাজ্য বিজেপি সভাপতির সংযোজন, যে প্রধানমন্ত্রীকে বহিরাগত বলতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মানতে চাইতেন না। এখন তাঁর সঙ্গেই দেখা করতে চাইছেন। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা রাজ্যের নেতারা নয়ছয় করেন বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, একটাই উদ্দেশ্য টাকা চাওয়া, কটাক্ষ সুকান্তর
দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, একটাই উদ্দেশ্য টাকা চাওয়া, কটাক্ষ সুকান্তর

উল্লেখ্য, ২২ নভেম্বর দিল্লি সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। দু’পক্ষের মধ্যে বৈঠকে রাজ্যের বকেয়া টাকা দাবি আদায়ের কথা জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার জন্য তোরজোড় শুরু করেছেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যে বিএসএফের কর্মক্ষেত্রের পরিসর বৃদ্ধির বিষয়েও কথা বলবেন তিনি।

দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষভাবে নজরে থাকবে বিরোধী পক্ষের বৈঠক। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দিল্লীতে গিয়ে আরও একবার বিরোধী পক্ষের হেভিওয়েট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক সারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে দলীয় সংগঠন বিস্তারের বিষয়ে আলাদা করে বৈঠক সারবেন ভিন রাজ্যের তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে। এছাড়াও আগামী অধিবেশনে তৃণমূলের রণনীতি কী হবে সেবিষয়েও রোডম্যাপ ঠিক করে দেবেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, বৈঠক বিরোধী নেতাদের সঙ্গেও 

দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, বৈঠক বিরোধী নেতাদের সঙ্গেও 
দিল্লি সফরে মুখ্যমন্ত্রী, বৈঠক বিরোধী নেতাদের সঙ্গেও

এর আগে জুলাই মাসে দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী পক্ষের একাধিক হেভিওয়েট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছিলেন তিনি। দেখা করেছিলেন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে। কিন্তু কয়েকমাসে বদলে গিয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণ। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিজেপিকে রুখতে মমতাই প্রধান বিরোধী মুখ প্রচার শুরু করেছেন তৃণমূল নেতারা। বাংলার বাইরে সংগঠন বাড়াতে কংগ্রেস দল ভাঙাচ্ছে তৃণমূল। এমত অবস্থায় কী ফের কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা? জল্পনা তুঙ্গে।