অসুস্থ মহিলার বাড়িতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিয়ে এলেন মহকুমাশাসক, মানবিকতার সাক্ষী পুরুলিয়া

অসুস্থ মহিলার বাড়িতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিয়ে এলেন মহকুমাশাসক, মানবিকতার সাক্ষী পুরুলিয়া
অসুস্থ মহিলার বাড়িতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিয়ে এলেন মহকুমাশাসক, মানবিকতার সাক্ষী পুরুলিয়া

নজরবন্দি ব্যুরো: স্বাস্থ্যসাথী কার্ড কে ঘিরে এবার মানবিকতার নিদর্শন মিলল পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সারদা পল্লি এলাকায়। সেখানকার বাসিন্দাদের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, বিগত কয়েক বছর ধরেই পক্ষাঘাতে আক্রান্ত সেখানকার সরকার পরিবারের কর্তা মৃণালকান্তি সরকারের স্ত্রী পারুল সরকার।

আরও পড়ুনঃ সব জল্পনা উড়িয়ে ৬ বছর পর ফের জোড়া ফুলে শিখা মিত্র

প্রথম দিকে সমস্ত কিছু ঠিকঠাক থাকলে ও সময় এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে হাঁটা চলার ক্ষমতা একেবারেই হারিয়েছেন তাঁর স্ত্রী। যারফলে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করতে গিয়ে রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল মৃনাল কান্তি বাবু কে। নিয়ম অনুযায়ী এই কার্ড করার জন্য বাড়ির সমস্ত সদস্যের ছবির প্রয়োজন হয়। কিন্তু তার স্ত্রী অসুস্থ থাকায় তা এক প্রকার অসম্ভব।

তাই বাধ্য হয়েই তিনি সেখানকার মহকুমা শাসকের কাছে নিজের পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন। কিন্তু সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে মৃনাল কান্তি বাবু কে একেবারেই হতাশ করেননি মহকুমা প্রশাসক প্রিয়দর্শিনী ভট্টাচার্য। তিনি নিজেই রঘুনাথপুরের মৃনালকান্তি বাবুর বাড়ি গিয়ে , তৈরি করে দিয়ে এলেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড।

যা দেখে রীতিমতো হতভম্ব সেখানকার মানুষ এই নিয়ে মহকুমাশাসক বলেন, ‘পারুলদেবীর শারীরিক সমস্যার কথা জানতে পেরে আমরা ওনার বাড়িতে এসে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড তৈরি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করি। শুধু ছবি তোলা নয়, একেবারে হাতে-হাতে ওঁনাদের হাতে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডটিও তুলে দিয়েছি আমরা । আমি চাই উনি ঠিকমত মেডিক্লেমের সুযোগ পান।

অসুস্থ মহিলার বাড়িতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিয়ে এলেন মহকুমাশাসক

এবং সঠিক ভাবে নিজের চিকিৎসা করিয়ে উনি সুস্থ হয়ে উঠুন । আমরা সেই প্রার্থনা করছি।’ বলাবাহুল্য মহকুমাশাসকের থেকে এই অপ্রত্যাশিত সাহায্য পেয়ে যথেষ্ট খুশি সারদা পল্লির এই সরকার পরিবার। এই নিয়ে মৃনালকান্তি বাবু‌ জানান, বিগত এক বছর ধরে আমার স্ত্রী প্রচন্ড অসুস্থ।

তাই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তৈরির জন্য মহকুমাশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে সমস্ত কিছু খুলে বলেছিলাম। তবে তিনি নিজে বাড়িতে এসে কার্ডটি তৈরি করে দিয়ে যাবেন তা সত্যি কখনও ভাবিনি। ওনার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here