বিরোধীদের চাপে পরে ১৩ জুন সর্বদল বৈঠক
all party meeting 13 june commission office

নজরবন্দি ব্যুরো: নজিরবিহীন ভাবে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষণ জানিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। সর্বদলীয় বৈঠক না ডেকেই একতরফা ভোটের নির্ঘন্ট জারি করেছিল কমিশন। আর মনোনয়ন তোলা এবং জমা দেওয়ার প্রথম দিনেই বাংলার মাটিতে ঝরল রক্ত, প্রাণ গেল একজনের। টনক নড়ল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। আগামী ১৩ জুন কমিশন সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক দিয়েছে।

আরও পড়ুন:মনোনয়ন পর্ব নিয়ে বিভিন্ন জেলায় অশান্তি, নির্বাচন কমিশনারকে তলব করল রাজ্যপাল

প্রসঙ্গত, কোনও ভাবেই রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা রাখতে পারছে না কংগ্রেস! তাই এবার এপ্রসঙ্গে সরাসরি রাজ্যপালের কাছে আর্জি জানিয়ে চিঠি পাঠালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। চিঠিতে লেখন, “বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলের রাজ চলছে। জঙ্গলের দানবের মতো শাসক দলের আশ্রিতরা বিরোধী দলের কর্মীদের উপর আক্রমণ করছে। রাজ্যের জুড়ে অরাজকতার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলায় এখন গণতন্ত্রের প্রাথমিক শর্তগুলিই কবরে চাপা পড়ে গিয়েছে। এমন অবস্থায় রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন কোনও ভাবে শান্তিপূর্ণ ভাবে হবে না। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই নির্বাচন করানো বন্দোবস্ত করা হোক।”

বিরোধীদের চাপে পরে ১৩ জুন সর্বদল বৈঠক
বিরোধীদের চাপে পরে ১৩ জুন সর্বদল বৈঠক

অন্যদিকে, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পর্বের শুরুর দিন থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষিপ্ত গোলমালের অভিযোগ। মনোনয়ন ঘিরে প্রথম দিনেই অব্যবস্থার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া বিরোধীদের মনোনয়নে বাধার অভিযোগ তো আছেই। এসবের মধ্যেই আজ রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল বঙ্গ বিজেপির এক প্রতিনিধি দল।

বিরোধীদের চাপে পরে ১৩ জুন সর্বদল বৈঠক

বিরোধীদের চাপে পরে ১৩ জুন সর্বদল বৈঠক
বিরোধীদের চাপে পরে ১৩ জুন সর্বদল বৈঠক

এরপরই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে রাজভবনে তলব করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এদিন দুপুর ১ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ রাজভবনে গিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। আলোচনা হতে পারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে। তবে কমিশন সূত্রে খবর, ধারাবাহিক অশান্তির খবর পেয়ে তিনি প্রত্যেক জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন, নিজ নিজ এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

Panchayet Election: বিরোধীদের চাপে পরে ১৩ জুন সর্বদল বৈঠক

খবর পাওয়া যাচ্ছে, প্রায় ৪৫ মিনিট রাজভবনে ছিলেন রাজীব সিনহা। আড়াইটে নাগাদ গাড়িতে চেপে রাজভবন থেকে বেরিয়ে যান তিনি। যেসব এলাকায় অশান্তি বেশি হচ্ছে, সেখানকার জেলাশাসকদের থেকে রিপোর্টও তলব করেছেন রাজ্যপাল।