‘দিদির বডি ল্যাঙ্গোয়েজ পজিটিভ’, কালীঘাটে মমতার বাড়িতে দলছুট সোনালি!

'আর অপেক্ষা করতে পারছি না', মুকুলের ফেরার পরেই কাতর হয়ে আবেদন সোনালীর।
'আর অপেক্ষা করতে পারছি না', মুকুলের ফেরার পরেই কাতর হয়ে আবেদন সোনালীর।

নজরবন্দি ব্যুরো: ‘দিদির বডি ল্যাঙ্গোয়েজ পজিটিভ’, তৃণমূলে ফিরছেন সোনালি। ২০২১ বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে সোনালী গুহ টিকিট না পেয়ে ক্ষোভে অভিমানে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন সোনালী গুহ। বিজেপিতে যোগ দিয়ে সোনালি দাবি করেছিলেন টিকিট পেতে তিনি বিজেপিতে যোগ দেননি। তৃণমূলকে জবাব দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। কিন্তু ভোটের ফলে দেখা যায় বিজেপির ঝড় থেমে গিয়েছে বাংলায়। তারপরেই নিজের সিদ্ধান্তকে ভুল বলে স্বীকার করে নিয়ে তৃণমূলে ফিরতে চান সোনালি।

আরও পড়ুনঃ আলাপনকে ছাড়বেন না মমতা, আজই দিল্লিতে পালটা চিঠি পাঠাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

এদিন কালীঘাটে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাড়ি গিয়েছিলেন সোনালি গুহ। তিনি বলেন, “আমি কালীঘাটে ম্যাডামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। দেখা হয়েছে দিদির সঙ্গে। দিদির ভাই(অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়) প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর পারলৌকিক কাজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন দিদি। দিদি আমায় ডেকেছিলেন, তাই গিয়েছিলাম। দিদিকে নমস্কার জানাই। উনিও আমায় নমস্কার জানাই। তৃণমূলের সুব্রত বক্সি আর আমি ছাড়া কাউকে তো আমন্ত্রণ তালিকায় দেখলাম না”।

তাহলে কি দিদি ক্ষমা করে দলে ফিরিয়ে নিচ্ছেন? ‘দিদির বডি ল্যাঙ্গোয়েজ পজিটিভ’, জানিয়ে সোনালি উত্তরে বলেন, “দিদির বডি ল্যাঙ্গোয়েজ দেখে তো তাই মনে হয়েছে। পজিটিভ লেগেছে। দেখা যাক। ৫ তারিখে কোর কমিটির বৈঠক ডেকেছেন। সেখানে নিশ্চয়ই কিছু ঘোষণা করবেন। আগে দলে যোগ দিই। তারপর সব বলব”।

উল্লেখ্য, রাজ্যে তৃতীয়বার তৃণমূল ক্ষমতায় ফেরার পরে সোনালি তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে লিখেছিলেন, “সম্মানীয় দিদি, আমার প্রণাম নেবেন, আমি সোনালি গুহ, অত্যন্ত ভগ্ন হৃদয়ে বলছি যে, আমি আবেগপূর্ণ হয়ে চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য দলে গিয়ে ছিলাম যেটা ছিল আমার চরম ভুল সিদ্ধান্ত, কিন্তু সেখানে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারিনি। মাছ যেমন জল ছাড়া বাঁচতে পারে না, তেমনই আমি আপনাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না, দিদি আমি আপনার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আপনি ক্ষমা না করলে আমি বাঁচব না। আপনার আঁচলের তলে আমাকে টেনে নিয়ে, বাকি জীবনটা আপনার স্নেহতলে থাকা সুযোগ করে দিন”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here