ভবানীপুরের ভোটারদের ৪০-২০ শতাংশ ভাগ স্মৃতির, স্পষ্ট মেরুকরণ দেখছে সব মহল

ভবানীপুরের ভোটারদের ৪০-২০ শতাংশ ভাগ স্মৃতির, স্পষ্ট মেরুকরণ দেখছে সব মহল

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২১ এর ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরের প্রচার কৌশল, নেতা নেত্রীদের বক্তব্য, ভোট চাওয়ার বক্তব্য শুনে এবং দেখে রাজনৈতিক মহলগুলি বলেছিল বাংলায় ভোট জিততে মেরুকরণের রাজনীতি করছে গেরুয়া শিবির। ভোটের ফলাফলের পর অনেকেই বলেছিলেন ভুল জায়গায় ভুল ভাবে মেরুকরণের তাস খেলে ফেলেছেন পদ্ম শিবিরের নেতারা। তবে তার পরেও যে স্ট্র্যাটেজি বদলায়নি দলে তা ফের স্পষ্ট হয়েছে স্মৃতি ইরানির কথায়।

আরও পড়ুনঃ পার্টি অফিস থেকে সরলো মোদি-শাহের ছবি, তৃণমূলের পথে রায়গঞ্জের কৃষ্ণ কল্যাণী?

আগামী ৩০ তারিখে ভবানীপুরে ভোট। রাজ্যের মধ্যে ভরকেন্দ্র এখন দক্ষিণ কলকাতার এই কেন্দ্র। একদিকে প্রার্থী খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে বহু ভেবে চিন্তে গেরুয়া শিবির মমতার বিরুদ্ধে মাঠে নামিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা টিব্রীওয়ালকে। শুরু থেকেই ছক স্পষ্ট ছিল, ভবানীপুরের অবাঙালি ভোট টেনে মমতাকে টেক্কা দিতেই প্রিয়াঙ্কাকে মুখ করেছে গেরুয়া শিবির। একে একে তাঁর হয়ে প্রচারে নামছেন প্রথম সারির নেতা নেত্রীরা।

প্রচারের জন্য উড়ে এসেছেন স্মৃতি ইরানি। গতকাল বিজেপির নব নিযুক্ত রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে আইসিসিআর-এ ভবানীপুরের গুজরাটি এবং মারওয়াড়ি বাসিন্দাদের একাংশের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। প্রার্থী প্রিয়াঙ্কাকে ভোট দেওয়ার আওহান জানান। সেখানেই স্মৃতি বলেন, ‘‘আপনারা এখানে এসেছেন, এটাই আমাদের কাছে বড় পাওনা। আমরা ধরে নিচ্ছি, আপনারা বিজেপিকে সমর্থন করেন বলেই এখানে এসেছেন। আপনারা ৪০%। কিন্তু অনেক সময় ২০% ভোটারের ভোটদানের প্রক্রিয়া এমন হয় যাতে, ৪০%-এর পক্ষে‌ অসুবিধাজনক হয়ে যায়। সুতরাং, আপনারা ভোটের দিন ভোটটা দিতে বাড়ি থেকে বেরোবেন, এই অনুরোধ।’’

ভবানীপুরের ভোটারদের ৪০-২০ শতাংশ ভাগ স্মৃতির, নজর বিশেষ ২০ শতাংশের ওপর। 

ভবানীপুরের ভোটারদের ৪০-২০ শতাংশ ভাগ স্মৃতির, স্পষ্ট মেরুকরণ দেখছে সব মহল

ভবানীপুরের ভোটারদের ৪০-২০ শতাংশ ভাগ স্মৃতির,কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহল গুলি বলেছে, এই ৪০ শতাংশ বলতে হিন্দি ভোট এবং ২০ শতাংশ বলতে মুসলিম ভোটারদের কথা বলেছেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, ২১ এর ভোট এবং ফলাফলের পরেও বিজেপি সেই সাম্প্রদায়িক অঙ্কে ভোট ভাগের কৌশল থেকে সরে দাঁড়ায়নি, স্মৃতি ইরানির কথায় তা স্পষ্ট। স্মৃতির এই মন্তব্যের পালটা পথে নেমে তৃণমূল বলছে, ‘‘বিধানসভা ভোটে সারা রাজ্যে বিজেপি সাম্প্রদায়িক বিভাজনের চেষ্টাই করেছিল। তাতে তৃণমূলের আসন বেড়েছে। কোনও নির্বাচনেই এখানে ভাষা বা ধর্ম বিষয় হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এখানকার ভোটারদের রসায়ন বুঝতে বিজেপির বহু বছর কেটে যাবে। এখানে এই বিভাজন চলে না।’’

ভবানীপুরের ভোটারদের ৪০-২০ শতাংশ ভাগ স্মৃতির, স্পষ্ট মেরুকরণ দেখছে সব মহল
ভবানীপুরের ভোটারদের ৪০-২০ শতাংশ ভাগ স্মৃতির,

গতকালের বৈঠকের পর আজ সকালে প্রার্থী প্রিয়াঙ্কার হয়ে প্রচারে বেরিয়েছেন স্মৃতি ইরানি। কালীঘাটের মন্দিরে পুজো দিয়ে শুরু করেন প্রচার কর্মসূচি। ভবানীপুরের বাসীন্দাদের সঙ্গে সাবলীল বাংলা ভাষায় কথা বলেন , বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিফলেট বিলি করেন। ভোত চান প্রিয়াঙ্কার জন্য।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here