একে একে সরানো হচ্ছে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের, নিজের গড়েই ‘একলা’ হচ্ছেন অধিকারী

একে একে সরানো হচ্ছে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের, নিজের গড়েই 'একলা' হচ্ছেন অধিকারী
একে একে সরানো হচ্ছে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের, নিজের গড়েই 'একলা' হচ্ছেন অধিকারী

নজরবন্দি ব্যুরোঃ একে একে সরানো হচ্ছে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের, একাধিক জায়গা, পদ সব জায়গা থেকেই অধিকারী ঘনিষ্ঠদের সরিয়ে জমি ক্লিয়ার করছে শাসক দল। ডিসেম্বরে শুভেন্দু গেরুয়া শবিরে প্রবেশের পর থেকেই আর রিস্ক নেয়নি ঘাসফুল শিবির।

আরও পড়ুনঃ করোনাকালের বাম সম্মেলন, কমরেডদের জন্য একগুচ্ছ নিয়ম আনছে আলিমুদ্দিন

এক সময়ে মেদিনীপুর জুড়ে একাধিক পদের দায়িত্ব সামলেছে অধিকারী পরিবার। মুখ্যমন্ত্রীর বিশ্বস্ত সেনাপতি দেখভাল করতেন জেলা জুড়ে। কিন্তু দিন বদলেছে। এর আগেই একাধিক পদ থেকে অধিকারী পিতা-পুত্রদের সরিয়েছে শাসক শিবির। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে পদে বসিয়েছে জেলাতেই শুভেন্দু বিরোধী বলে পরিচিতদের।

দিন কয়েক আগেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে জেলা জুড়ে। এতবছর ধর একাধিক সমবায় ব্যাঙ্ক, কমিটিতে পদে আছেন শুভেন্দু। এখন শুভেন্দু বিরোধী দলনেতা, কাজেই শাসক ঘনিষ্ঠ কমিটিতে তাঁর স্থান হবে না তা বলাই বাহুল্য। দিন কয়েক আগেই তাম্রলিপ্ত জনকল্যাণ সমিতির সভাপতির পদ থেকে সরানো শুভেন্দু অধিকারীকে।

একে একে সরানো হচ্ছে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের, মেদিনীপুরের জমি ক্লিয়ার করছেন মমতা। 

একে একে সরানো হচ্ছে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের, নিজের গড়েই 'একলা' হচ্ছেন অধিকারী
একে একে সরানো হচ্ছে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের, নিজের গড়েই ‘একলা’ হচ্ছেন অধিকারী

২০১২ সাল থেকে তাম্রলিপ্ত জনকল্যাণ সমিতির সভাপতির পদে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার আগে প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠ সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এতবছর পরে সেই পদ থেকে সরানো হয়েছে তাঁকে। প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আরও একাধিক জায়গায়।

একে একে সরানো হচ্ছে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের, সূত্রের খবর, তমলুক ঘাটাল সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক থেকে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে অধিকারী ঘনিষ্ঠ গোপাল মাইতিকে। গোপাল প্রসঙ্গে শাসক দলের বক্তব্য অধিকারী নিজে কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান না থাকলেও কাছের লোক গোপালকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে পারেন।

সেই শঙ্কা মনে আসতেই আর কোন প্রকার রিস্ক নিতে রাজি নয় শাসক দল। মৎসমন্ত্রী অখিল গিরির বক্তব্য গোপাল অপসারণ মুদ্দায় ইতিমধ্যেই ৪ জন ডিরেক্টরের মধ্যে পাঁচ জনের সঙ্গে চূড়ান্ত কথা হয়েছে তাঁদের, আর তিন জনের সম্মতি পেলেই সরানো হবে গোপালকে।

শুভেন্দুর গেরুয়া শিবির গমন, নন্দীগ্রমের ভোটে জিতে বিধায়ক হওয়া সব কিছুর পরে আর কোন ভাবেই সময় নস্ট করছে না শাসক দল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে,  যে মেদিনীপুর এক সময়ে অধিকারীর গড় বলে পরিচিত ছিল এখন একে একে সেখানেই তাঁর ঘনিষ্ঠদের সরিয়ে ‘বিধায়ক’ কে নিজের ঘরেই একলা করতে চাইছে মমতা সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here