কাননের খবর থাক শুধু বৈশাখীর কাছে, বৃহস্পতির বার বেলার হাসপাতালকে ফের জোড়া চিঠি শোভনের

বৈশাখী চাইছেন হাউস অ্যারেস্টেই থাকুন শোভন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে গেল ‘রিস্ক বন্ড’
বৈশাখী চাইছেন হাউস অ্যারেস্টেই থাকুন শোভন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে গেল ‘রিস্ক বন্ড’

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কাননের খবর থাক শুধু বৈশাখীর কাছে, আর থাকবে আইনজীবীর কাছে। এই মর্মে শোভন চোট্টোপাধায় ফের জোড়া চিঠি পাঠিয়েছেন হাসাপাতালকে। নারদ কান্ড যে পরিমাণ পারদ চড়িয়েছে বাংলার রাজ্য রাজনীতিতে, কৌতূহলে তার থেকে কিছু কম যাচ্ছে না শোভন-বৈশাখী স্টোরি। গত কয়েক বছর ধরে টিআরপি সমান ভাবে বজায় রেখে চলেছে বাংলার এই জুটি।

আরও পড়ুনঃ অবশেষে…দিন খানেকের মৌনব্রত ভেঙে সরব বিরোধী দলনেতা!

নারদ কান্ডের শুরুর দিন শুধু গল্পের মাঝে বহুদিন বাদে ঢুকে পড়েছিলেন রত্না দেবী। স্বামীর হাজতবাসের খবর পেয়ে পড়ি-মরি করে ছুটে গিয়েছিলেন বিধায়িকা। তবে সন্ধ্যে হতেই রাশ নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তা সে প্রেসিডেন্সি জেলের সামনে মাঝ রাত্তিরে কান্না থেকে তাঁকেও জেলে না ঢোকালে প্রাণপাত করবেন, অথবা উডবার্ণে তাঁকেও ভর্তি করতে হবে। আপাতত সব লাইমলাইট তাঁর ওপরেই।

এসবের মাঝেই তাঁর কেবিনে যেন রত্না না আসে এই মর্মে গতকালই চিঠি পাঠিয়েছিলেন শোভন চোট্টোপাধায়।নারদ মামলার শুনানির পর শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে তাঁর আইনজীবী প্রতিম প্রিয় দাশগুপ্ত এসএসকেএম হাসপাতালের সুপারকে চিঠি লিখে অনুরোধ জানান, যতক্ষণ না শোভন নিজে অনুমতি দিচ্ছেন, ততক্ষণ স্ত্রী রত্না সহ তাঁর ছেলে সপ্তর্ষি এবং মেয়ে সুহানিকেও যেন তাঁর কাছে ঘেঁষতে না দেওয়া হয়। একদিকে যখন তা৬ জন্যই দিন-রাত এক করে কেঁদে ভাসাচ্ছেন বৈশাখী তখন রত্নার এই কাছে আসার ‘চক্রান্ত’ ভালভাবে নেননি তিনি!

তার পরেই আজ বৃহস্পতির বার বেলায় ফের জোড়া চিঠি গেলো শোভনের তরফ থেকে। আজ হাসপাতালের সুপারকে দু’টি চিঠি  মেল করেছেন  শোভনের আইনজীবী প্রতিমপ্রিয় দাশগুপ্ত। একটিতে জানানো হয়েছে  শোভনের চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনও ধরণের কোন তথ্যই যেন আইনজীবী  প্রতিমপ্রিয় এবং বৈশাখী ছাড়া অন্য কারো কাছে না যায়। কারো কিছু জানার থাকলে তা জানতে হবে এই দুজনের থেকেই। এমনকি খবর যাবেন রত্নার কাছেও।

অন্য চিঠিতে আবার স্ত্রী রত্না ও ছেলে সপ্তর্ষীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন আতঙ্কিত শোভন। তাঁর মতে গতকাল মদন মিত্রকে দেখতে আসার নাম করে দুই শোভনের কেবিনে ঢোকার চেষ্টা করেন।  কর্তব্যরত পুলিশ বাধা দিলেও একজন জোর খাটিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে। চিঠিতে জানানো হয়েছে ওই দু’জনের নাম সঞ্জয় রাউত এবং অভিজিৎ মৈত্র, অভিযোগ তাঁদের সঙ্গে আরো কয়েকজন দুষ্কৃতীও ছিল । অভিযোগ তাঁরা রত্নার নির্দেশেই এসেছিলেন। তার পর থেকেই আতঙ্কিত প্রাক্তন বিধায়ক।

কাননের খবর থাক শুধু বৈশাখীর কাছে, বৃহস্পতির বার বেলার হাসপাতালকে ফের জোড়া চিঠি শোভনের, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই দ্বিতীয় চিঠি পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর চিঠি পাওয়ার পর থেকেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে গতকালের ঘটনা। বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশের ডিসি সাউথ আকাশ মাঘারিয়াও SSKMএ আসেন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে। উডবার্ন ওয়ার্ডের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here