৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে রাজ্যের সমস্ত স্কুল। #BreakingNews

৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে রাজ্যের সমস্ত স্কুল। #BreakingNews

নজরবন্দি ব্যুরো: ৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে রাজ্যের সমস্ত স্কুল। শিক্ষা সংবিধানের যুগ্ম তালিকাভুক্ত। আনলক পর্যায়ে দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন(UGC) যেখানে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে শিক্ষাঙ্গনে পঠন-পাঠন শুরুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল, ঠিক সেই জায়গায় দাঁড়িয়েই পশ্চিমবঙ্গ সরকার উল্টো পথেই হেঁটে চলার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল। এদিকে আগামীকাল স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকার মেয়াদ সরকারিভাবে শেষ হচ্ছে৷ তবে পুজোর আগে যে স্কুল খুলছে না, তারও ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী৷

আরও পড়ুনঃ অধিনায়ক রয় কৃষ্ণ। দেখুন এটিকে মোহনবাগানের সম্পূর্ণ খেলোয়াড় তালিকা।

৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে রাজ্যের সমস্ত স্কুল। গত বুধবার বিকাশ ভবন বৈঠকে বসেছিলেন শিক্ষা দফতরের কর্তারা। সূত্রের খবর সেখানে আলোচনা হয়েছে নভেম্বর মাস থেকে স্কুল খোলার ব্যাপারে। বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, আগামিকাল স্কুল বন্ধ থাকার মেয়াদ বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। সম্ভবত বিজ্ঞপ্তিতে থাকতে চলেছে অক্টোবর ৩১ তারিখ পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকার নির্দেশিকা। ফের ৩১শে অক্টোবর পরিস্থিতি দেখে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হবে কবে খুলবে স্কুল।

এদিকে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘‘পরিকল্পনা ছাড়া শিশুদের স্কুলে এনে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারে না সরকার। তাছাড়া স্কুল খুললেও কয়েকদিনের মধ্যেই পুজোর ছুটি পড়ে যাবে।’’ উল্লেখ্য তিনি ২ দিন আগে জানিয়েছিলেন, ডিসেম্বর মাস থেকে রাজ্যে শিক্ষাঙ্গনে পঠন-পাঠন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। রাজ্যের যুক্তি, নভেম্বর মাস উৎসবের মাস। আর এই ইস্যুতে ফের একবার কেন্দ্র রাজ্য সংঘাত সামনে চলে এলো। যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোতে এই সংঘাত একুশের বিধানসভা ভোটে কতটা প্রভাব ফেলে তা শিক্ষাঙ্গনের সদর দরজা খুললেই বোঝা যাবে। শুক্রবার তিন পাতার মোট আট দফা গাইডলাইন প্রকাশ করেছে ইউজিসি।

ওই গাইডলাইনে বলা হয়েছে, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ এবং ২০২১‐২২ শিক্ষাবর্ষের পঠনপাঠনের ক্ষতি আটকাতে প্রয়োজন হলে সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস নিতে হবে কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে। কাটছাঁট করতে হবে এককালীন ছুটিগুলিকেও। সমস্ত রকম কোভিড বিধি মেনেই ক্লাস নিতে হবে।ইউজিসির এই গাইডলাইন সামনে আসার পরেই রাজ্যের শিক্ষা দফতর নড়েচড়ে বসে। রবিবারই রাজ্যের উপাচার্যদের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠক সেরে ফেলেন শিক্ষামন্ত্রী।

তারপরই তিনি জানান, ৩১ অক্টোবর স্নাতকোত্তরের ফলপ্রকাশ। তারপরই পয়লা নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরু করা সম্ভব নয়। সেই সময় ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। ১ ডিসেম্বরে স্নাতকোত্তরের ক্লাস শুরু হবে এবং অনলাইনে। স্নাতকের ক্লাস প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ২ নভেম্বর থেকে অনলাইনে প্রথম বর্ষের ক্লাস নেওয়া হবে। এখনই কলেজে শারীরিকভাবে উপস্থিতি সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেন শিক্ষামন্ত্রী।শিক্ষামন্ত্রী কথায়, নভেম্বর মাসে কোনও ভাবেই স্নাতকের ক্লাস নেওয়া সম্ভব নয়।

বাংলার সবচেয়ে বড় উৎসব, এই বিষয়টি মাথায় রাখেনি ইউজিসি। উৎসবের জন্য ডিসেম্বরের আগে শিক্ষাবর্ষ চালুর সম্ভাবনা কম। সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিচার করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শিক্ষাবর্ষ এক মাস পিছিয়ে শুরু করার প্রস্তাব দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিলে নভেম্বর থেকে শিক্ষাবর্ষ শুরু করতে কী কী সমস্যা রয়েছে, তা জানিয়ে ইউজিসিকে বিষয়টি লিখিত ভাবে জানানো হবে, এমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x