Rudranil Ghosh: বিস্মিত হয়েছি, মজাও পেয়েছি, পুলিশের পোস্টে নিজের ছবি দেখে বললেন রুদ্র

নজরবন্দি ব্যুরোঃ একসময় তিনি ছিলেন তৃণমূলের নেতা। গতবছর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে দিল্লি গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। তখন থেকেই শাসক দলের কড়া সমালোচক তিনি। কিন্তু তাঁরই ছবি কলকাতা পুলিশে দেখতে পেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা বললেন, বিস্মিত হয়েছি,মজাও পেয়েছি।

আরও পড়ুনঃ বিয়ের তিন দিন আগে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, আত্মহত্যা মানতে নারাজ পরিবার

উল্লেখ্য, মাদকচক্র রুখতে কলকাতা পুলিশের তরফে একটি সচেতনতা অভিযান চলছে। স্যোশাল মিডিয়ায় সেই সম্পর্কেই একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফে। তাতে রয়েছে সৃজিত মুখ্যোপাধ্যায় পরিচালিত ভিঞ্চিদা ছবির একটি বিখ্যাত দৃশ্য। তাতে লেখ “মাদক চক্রের খপ্পড়ে পরে কখন যে আপনি নিজেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়বেন, ধরতে পারবেন না। সেটা দেখেই চমকে উঠেছেন রুদ্রনীল

নিজের ফেসবুক পোস্টে রুদ্রনীল জানিয়েছেন, “West_Bengal_police তাদের মাদক বিরোধী সচেতনামূলক বিজ্ঞাপনে আমার ছবি ব্যবহার করেছেন দেখে। ( আমার পার্মিশান কেউ নেন নি)প্রথমতঃ  এই ছবিটি সৃজিত মুখার্জী পরিচালিত বহুল প্রশংসিত  #ভিঞ্চিদা সিনেমার স্টিল ছবি। আমার মুখের জনপ্রিয় সংলাপ ” ধরতে পারবেন না” কে তারা নিয়েছেন। এতে মানুষকে আকর্ষণ করতে চেয়েছেন। কিন্তু, এটা তো হবার কথা না। রাজ্য সরকারের বিজ্ঞাপনে, পুরষ্কার বা সম্মান পাওয়ার লিস্টে ফিলিম ফেস্টিভ্যালের আমন্ত্রণ লিস্টে, মঞ্চে তো সাধারণতঃ শাসকদলের হয়ে প্রচার করা শিল্পী বুদ্ধিজীবীরাই স্থান পান!!! তাহলে আমি কেন? রোজই তো এ রাজ্যে যা যা অন্যায় চুরি জোচ্চুরি ঘটছে তা নিয়ে কোন না মিডিয়ায় কথা বলি!!!”

বিস্মিত হয়েছি, মজাও পেয়েছি,  বক্তব্য রুদ্রর 
বিস্মিত হয়েছি, মজাও পেয়েছি,  বক্তব্য রুদ্রর 

জনপ্রিয় অভিনেতার প্রশ্ন, “তাহলে এটা কেন ঘটলো?? মনে হয় ভুল করে রাজ্য পুলিশের কোন ব্যাক অফিস কর্মী ( যিনি গুলি বন্দুকের বদলে কম্পিউটার গ্রাফিক্স সামলাবার দায়িত্বে আছেন) বা কোন মিডিয়া এজেন্সি জনপ্রিয় ডায়লগকে ব্যাবহার করতে গিয়ে এই অঘটনটি ঘটয়েছেন। চাকরি নিয়ে না টানাটানি হয় বেচারার! কারণ, রাজ্যের  বিরোধী দলের মানুষজনকে পুলিশ দিয়ে হেনস্থা বা বিরক্ত করার নিদানই তো দেওয়া আছে তা সবাই জানে। কিম্বা বাধ্য হয়ে বিরোধী পেটানো পুলিশ রিভোল্ট করছে না তো আস্তে আস্তে???”

তিনি আরও বলেন, ”আর যদি কেউ ভাবেন আমায় এসব করে শাসক দলে টানার রাস্তা তৈরী করব। তাঁদের উদ্দেশ্যে আমার একটাই সংলাপ, ” পেসেন্ট আইসিসিইউতে চলে গেলে আর কমলালেবু কিনে দিয়ে লাভ নেই।বৃহস্পতিবার ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন”।

বিস্মিত হয়েছি, মজাও পেয়েছি,  বক্তব্য রুদ্রর 

বিস্মিত হয়েছি, মজাও পেয়েছি,  বক্তব্য রুদ্রর 
বিস্মিত হয়েছি, মজাও পেয়েছি,  বক্তব্য রুদ্রর 

বিজেপিতে যোগদানের পর কাজের সংকট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। বারবার শাসক দলের কার্যকলাপ নিয়ে কটাক্ষ করতে বিন্দুমাত্র পিছপা হননি। কখনও কবিতার ছলে আবার কখনও নাট্যভঙ্গীতে তৃণমূল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বারবার আক্রমণ করেছেন। সম্প্রতি তৃণমূলের সাংস্কৃতিক সেলের পদে বসানো হয়েছে রুদ্রনীলকে। তারই মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী স্বরাষ্ট্র দফতরের অধীনে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সচেতনতা শিবির নিয়ে সত্যিই চমকে যাওয়ারই বিষয়।