বৈশাখী এসেছেন কাননের জীবনে, তাই ফেলে যাওয়া দায়িত্বভার নিজের কাঁধে নিলেন রত্না।

বৈশাখী এসেছেন কাননের জীবনে, তাই ফেলে যাওয়া দায়িত্বভার নিজের কাঁধে নিলেন রত্না।
বৈশাখী এসেছেন কাননের জীবনে, তাই ফেলে যাওয়া দায়িত্বভার নিজের কাঁধে নিলেন রত্না।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজনীতি এবং তাঁদের সম্পর্কের দূরত্ব এখন ব্যাস্তানুপাতিক। শোভন চট্টোপাধ্যায় বাড়ি ছাড়ার পর বাড়ির দায়িত্ব সামলেছেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনে রাজনীতির অকপটে না আসা শোভন পত্নী রত্নার ওপর ভরসা রেখেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই জয়ের পর কলকাতা পুরসভার ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কেয়ার অব রত্নাকেই গড় সামলানোর দায়িত্ব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ KMC ELECTION 2021 : আসন্ন পুরভোট, আগামী সপ্তাহেই কলকাতায় সভা অভিষেকের

কারণ, শোভন চট্টোপাধ্যায় চলে যাওয়ার পর সবটাই নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। এমনকি ওই ওয়ার্ডের কার কোথায় কী সমস্যা সবটাই জানেন তিনি। পুকুর সংস্কার থেকে জলের সমস্যা দুরীকরনে এখন কাজ করতে চাইছেন কলকাতা পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়রের স্ত্রী। তাই শুরু থেকেই পৌঁছে যাচ্ছেন দরজায় দরজায়। চার বছর ধরে প্রচুর পরিশ্রম করেছি। তাই দিদির মনে হয়েছে আমায় দায়িত্ব দিয়েছে।

পরপর দুইবার ১৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জয়লাভ করে কলকাতা পুরনিগমের মেয়র হয়েছেন মমতার প্রিয় কানন। সেই কাননের জীবনে এসেছেন বৈশাখী। তাঁদের প্রেম কাহিনী নিয়ে কম জল্পনা হয়নি। সেই কাননে আর জোড়া ফুল ফোঁটা সম্ভব নয়। তাই রত্নাকেই দায়িত্ব তুলে দিয়েছে দল। তবুও শোভনের দায়িত্ব মাথায় তুলে সম্পর্ক ফিরে পাওয়ার আশায় বুক বাঁধেন রত্না। কিন্তু সেই শোভন এখন বৈশাখীর।

কিন্তু রত্নার প্রাপ্য দেখে খোঁচা দিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, আমাকে গ্রেফতারের পর অনেকবার মমতার পরিবারের বিরুদ্ধে বলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। বলিনি সব নিজে কাঁধে নিয়েছি। যারা বলছেন তাঁরা পুরস্কৃত। আর আমরা তিরস্কৃত হব। বাহরে বা। পাল্টা রত্নার বক্তব্য, তিনি ছেড়ে গেছেন।

বৈশাখী এসেছেন কাননের জীবনে, তাই ফেলে যাওয়া দায়িত্বভার নিজের কাঁধে নিলেন রত্না।

শোভন এখন বৈশাখীর, বিধানসভার পর মমতার ভরসা রত্না 
বৈশাখী এসেছেন কাননের জীবনে, তাই ফেলে যাওয়া দায়িত্বভার নিজের কাঁধে নিলেন রত্না।

সব মিলিয়ে, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের আস্তানা বদল হলেও এখনও তাঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন রত্না। কথায় কথায় টেনে আনেন তাঁর প্রসঙ্গ। তবে স্বল্প সময়ের রাজনীতিতে সিরিয়াস। নীলবাড়ির পর এবার লালবাড়ি। সম্পর্কের চোরাবালিতে দাঁড়িয়েও আদা জল খেয়ে পুরভোটে প্রচার চালচ্ছেন রত্না।