গৃহবন্দি VC-কে খাবার জোগান আন্দোলনকারীদের, তবু একই দাবিতে মোদীকে চিঠি বিদ্যুতের 

গৃহবন্দি VC-কে খাবার জোগান আন্দোলনকারীদের, তবু একই দাবিতে মোদীকে চিঠি বিদ্যুতের 
গৃহবন্দি VC-কে খাবার জোগান আন্দোলনকারীদের, তবু একই দাবিতে মোদীকে চিঠি বিদ্যুতের 

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গৃহবন্দি VC-কে খাবার জোগান আন্দোলনকারীদের, তবু একই দাবিতে মোদীকে চিঠি বিদ্যুতের। প্রতিদিন বিশ্বভারতীর ঘটনা যখন নতুন করে মোড় নিচ্ছে। এবার আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, অভুক্ত উপাচার্যকে এবার খাবার পৌঁছে দেবে ছাত্র-ছাত্রীরা। সেই মতই বুধবার সকালে বিশ্বভারতীর উপাচার্য ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য তুলে দেওয়া হলো দুধ, কলা, পাউরুটি।

আরও পড়ুনঃ লাভ হলোনা ঝাড়ফুঁকে, চন্দনা বিরহে কৃষ্ণ এখন দেবদাস, ফের ভর্তি হাসপাতালে

পাশাপাশি, এবার থেকে তিন বেলা খাবার পৌঁছে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীরা। আন্দোলনরত বহিষ্কৃত ছাত্রী রুপা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “বিগত তিনদিন ধরে উপাচার্য মশায় অভিযোগ করছেন যে আমাদের আন্দোলনের জেরে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা খেতে পারছেন না। আমরা এমনটা চাইনা। আমরা মানবিক। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা তিন বেলা যা খাব, ওনাকে এবং ওনার পরিবারের বাকি সদস্যদের একই খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে। যাতে উনি অভুক্ত না থাকেন।”

গৃহবন্দি VC-কে খাবার জোগান আন্দোলনকারীদের, অভুক্ত বলে মোদীর কাছে চিঠি VC-র।

গৃহবন্দি VC-কে খাবার জোগান আন্দোলনকারীদের, অভুক্ত বলে মোদীর কাছে চিঠি VC-র।
গৃহবন্দি VC-কে খাবার জোগান আন্দোলনকারীদের, অভুক্ত বলে মোদীর কাছে চিঠি VC-র।

গৃহবন্দি VC-কে খাবার জোগান আন্দোলনকারীদের, অন্যদিকে কোনরকম খাবার ঘরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছেন বিশ্বভারতীর গৃহবন্দি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। তিনি লিখেছেন, তাঁকে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। তাঁর বাড়িতে খাবার দিতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি কাজের লোকদেও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ঘেরাও থাকার ফলে তাঁকে নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

112

এদিকে, বুধবার সকালেই বিশ্বভারতীর উপাচার্যের বাসভবনে শাকসবজি নিয়ে দুই যুবক বাইকে ঢুকতে যাচ্ছিলেন। তাঁরা দুধ-আলুও দিতে আসেন। সেই সময় ছাত্রছাত্রীরা দেখতে পেলে তাঁদের বাধা দেন। তাঁদেরকে আটকান এবং ফেরত পাঠিয়ে দেন। ছাত্র ছাত্রীদের বক্তব্য, তাঁরা উপাচার্যকে খাবার দিচ্ছেন। আলাদা করে খাবার দেওয়ার আর কোনও প্রয়োজন নেই।

পাশাপাশি বিশ্বভারতীর ঘটনা পরপর জটিল হয়ে চলেছে। উপাচার্যেরকে ঘেরাও করা ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা ক্রমশই বেড়ে চলেছে। এক আন্দোলনরত ছাত্র জানান, “আন্দোলন যখন শুরু হয়েছিল তখন আমরা ৬০জন সদস্য সেখানে থাকবেন বলে তালিকাভুক্ত করেছিলাম। আমাদের আশা ছিল এই ৬০জনের মধ্যেই ছাত্র-ছাত্রীরা থাকবে। কিন্তু যেভাবে প্রতিদিন এই সংখ্যাটা বাড়ছে, তাতে এই আন্দোলন আরও চড়া সুর নেবে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here