অস্তিত্ব সঙ্কটে রাজ্যের ১০ হাজার শিক্ষক, ৬ দফা দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি।

অস্তিত্ব সঙ্কটে রাজ্যের ১০ হাজার শিক্ষক, ৬ দফা দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি।
অস্তিত্ব সঙ্কটে রাজ্যের ১০ হাজার শিক্ষক, ৬ দফা দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অস্তিত্ব সঙ্কটে রাজ্যের ১০ হাজার শিক্ষক, মিলছে না বেতন। নেই স্থায়ীকরন। রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণের জন্য বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতিগুলো বিভিন্ন বিদ্যালয়ে আংশিক সময়ের শিক্ষক নিয়োগ করে থাকে। মূলত বাম আমল থেকেই বিদ্যালয়ে আংশিক সময়ের শিক্ষক নিয়োগ হয়ে আসছে। বিদ্যালয়ের এই আংশিক সময়ের শিক্ষকদের সামান্য বেতন দেওয়া হয় বিদ্যালয় ফান্ড থেকে।

আরও পড়ুনঃ মুকুলের বিরুদ্ধে ভিডিও সিডি, আগামীকাল বিধায়ক পদ খারিজের শুনানি বিধানসভায়

মাসিক এক হাজার থেকে তিন হাজার টাকা বেতন দেওয়া হয় এই শিক্ষকদের। অথচ একজন স্থায়ী শিক্ষকের সমান তাদেরকে ক্লাস করতে হয়। এমনকি মিড-ডে-মিল, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সমস্ত কাজেই তাদেরকে পরিচালনা করতে হয়। অথচ তাদের কাজের কোন স্থায়ীত্ব নেই। এস এস সি থেকে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা হলেই এই সব আংশিক সময়ের শিক্ষকদের বিদ্যালয় থেকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাই কাজের স্থায়ীকরণের জন্য বারবার তারা সরকারের কাছে আবেদন করেছেন।

অস্তিত্ব সঙ্কটে রাজ্যের ১০ হাজার শিক্ষক, স্থিতাবস্থা চেয়ে বারবার আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে। কিন্তু সেই আবেদনের কোন সাড়া মেলেনি। শিক্ষকদের দাবি মূলত ৬ টি বিষয় নিয়ে।
১) স্থায়ীকরণ।
২) চাকুরিতে শিট সংরক্ষন।
৩) ন্যায্য বেতন।
৪) অবসর সময় এককালিন ভাতা প্রদান।
৫) শারদ উৎসবে বোনাস।
৬) পুনর্নিয়োগ।

অভিযোগ, এই করোনা পরিস্থিতিতে অনেক বিদ্যালয় তাদের সামান্য বেতনটুকু পর্যন্ত দিচ্ছে না। এই করোনাকালে তারা বাধ্য হয়ে গৃহশিক্ষকতা বন্ধ রেখেছেন। তাই তাদের পক্ষে সংসার চালানো দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে।

অস্তিত্ব সঙ্কটে রাজ্যের ১০ হাজার শিক্ষক, ৬ দফা দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি।

সংগঠনের রাজ্য সভাপতি তথা পুরুলিয়া জেলার বাসিন্দা সমির কুমার দেওঘরিয়া জানান, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রীর নিকট বারবার আবেদন করেছি কিন্তু আজ পর্যন্ত আমাদের কোনো সুরাহা হয় নি। এমতাবস্থায় করোনাকালে আমাদের পক্ষে সংসার চালানো দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। তাই এই করোনাকালে আমাদের কাজের স্থায়ীকরণ এবং আপৎকালীন সাহায্য চেয়ে আমরা এই গণ ইমেইল করার কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। যদি আমাদের দাবি না মানা হয় তাহলে পরবর্তী কালে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হব।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here