নজরবন্দি ব্যুরো : শুভেন্দুর দলত্যাগ নিয়ে এই প্রথমবার মুখ খুললেন প্রশান্ত কিশোর। এক সর্বভারতীয় চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে ভোটগুরু দাবি করেন, শুভেন্দু যে অনেক আগে থেকেই বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল তা অনেক আগে থেকেই জানা ছিল। তাই ধীরে ধীরে তাকে অন্যান্য পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। আর সেই কারণেই গতবছর দলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আরও পড়ুন: কুয়াশার চাদরে মুড়ে বড়দিনকে স্বাগত রাজ্যবাসীর।


এ বিষয়ে এদিন তিনি বলেন, ”রাজনীতিতে নিজস্ব জায়গা রয়েছে শুভেন্দুর। উচ্চাকাঙ্ক্ষা ভাল। কিন্তু, নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে ভুল ধারণা থাকা ভাল নয়। অনেক সময় উচ্চাকাঙ্ক্ষা্র বশে অনেকের মনে হতে পারে, দলের সাময়িক ক্ষতিতে আসলে তাঁর ভাল হবে।” পিকের দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে শুভেন্দু। এবিষয়ে বলেন, ”আমরা খুব খুশি যে উনি জনসমক্ষে স্বীকার করেছেন, তৃণমূলে থাকার সময়ও ওঁর বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ ছিল।
নিজেই বলেছেন যে, ২০১৪ সাল থেকে অমিত শাহর সঙ্গে যোগাযোগ আছে। মমতা কিন্তু ওঁকে দল থেকে ছেঁটে ফেলেননি। এখন নিজেকে মমতার জায়গায় রাখলে কারও মনে হতেই পারে যে তিনি প্রতারিত হয়েছেন।” তবে কি শুভেন্দুর দলত্যাগে ২১ শে নির্বাচনের কোনো প্রভাব পড়বে? এই নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতেই তিনি বলেন, হেভিওয়েট নেতা দলত্যাগ মানে দলের সাময়িক ক্ষতি। তবে দলটা থাকছেই।
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই শুভেন্দু প্রসঙ্গে বিস্ফোরক পিকে, তাঁর কথায়, দেড় বছর আগে লোকসভা ভোটের সময়তেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ৪০ জন বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন। কিন্তু আদতে তা হয়নি। এখনও পর্যন্ত ৭ জন বিধায়ক বিজেপি গেছেন। ফলে তৃণমূলে ভাঙনের কারণও নিয়ে পিকের কথায়, “যখন আপনার দলে ২৩০ জন বিধায়ক থাকে এবং দ্বিমুখী লড়াইয়ে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে আপনাকে লড়তে হয়, তখন কিছু নেতার দলত্যাগ অস্বাভাবিক কিছু নয়। বিশেষ করে বিজেপি যেভাবে লোভ এবং ভয় দেখায়।”


সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



