উপমুখ্যমন্ত্রী, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দুই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পাইলটকে, তবে কি এবার বিজেপি তে?

উপমুখ্যমন্ত্রী, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দুই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পাইলটকে, তবে কি এবার বিজেপি তে?

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বার বার দলের তরফে সন্ধির বার্তা দিলেও সাড়া দিচ্ছিলেন না সচিন পাইলট। অন্যদিকে এখনই রাজস্থানে সরকার পড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও নেই। এবার তাই বিক্ষুব্ধ সচিন পাইলটের বিরুদ্ধেই কড়া পদক্ষেপ নিল কংগ্রেস। রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পাইলটকে। একই সঙ্গে রাজস্থানের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে পাইলটকে। একই সঙ্গে পাইলট ঘনিষ্ঠ দুই নেতাকেও মন্ত্রিত্ব থেকে সরানো হয়েছে।

সবমিলিয়ে পাইলট- কংগ্রেস বিচ্ছেদ এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলেই ধরে নেওয়া যায়। অপর দিকে ইতিমধ্যেই শচীন পাইলটকে বরখাস্ত করে গোবিন্দ সিং ডোতাসরাকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করে দিয়েছে কংগ্রেস। শচীনও রাগের মাথায় কংগ্রেস ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছেন। টুইটারে নিজের পরিচয় থেকে ‘কংগ্রেস’ শব্দটি সরিয়ে ফেলেছেন তিনি। এখন আর কংগ্রেসে ফেরার রাস্তা নেই। এই ‘অপমানের’ পর তিনি আর ফিরতেও চাইবেন না।

এখন পাইলটের কাছে দুটো বিকল্প।এক, সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেওয়া। কিন্তু তাতে বহু সমস্যা। কংগ্রেস দল থেকে বহিস্কার করায় এই মুহূর্তে বহু কংগ্রেস সমর্থক তথা রাজস্থানবাসীর সহানুভুতি পাচ্ছেন তিনি। বিজেপিতে যোগ দিলে সেটা আর থাকবে না। তাছাড়া, পাইলটের সঙ্গে যে ২২ জন বিধায়ক গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্তত ১০-১২ জন সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিতে চান না। এদের মধ্যে কয়েকজন প্রবীণ বিধায়কও আছেন, যারা সারাজীবন বিজেপি বিরোধিতা করে এসে কেরিয়ারের শেষলগ্নে আর ‘ভুল’ করতে চান না।

তাছাড়া, মাত্র ২২ জন বিধায়ক নিয়ে বিজেপিতে গেলে শচীন খুব বেশি সুবিধাও পাবেন না। কারণ, তাতেও কংগ্রেস সরকার পড়া মুশকিল।দুই, নিজের আলাদা দল তৈরি করা। তিনি আলাদা দল তৈরি করলে অনুগামীদেরও আপত্তি নেই। মানুষের সহানুভুতিও তাঁর সঙ্গে থাকবে। শুধু তাই নয়, পাইলট আলাদা দল তৈরি করলে গেহলট শিবির থেকে অন্তত ৬ জন বিধায়ক তাঁর শিবিরে আসতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

One thought on “উপমুখ্যমন্ত্রী, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দুই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পাইলটকে, তবে কি এবার বিজেপি তে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x