Partha-Arpita:ঘনিষ্ঠতা অস্বীকার করেছিলেন পার্থ ,আসলে তিনি অর্পিতার”আঙ্কেল”!

ঘনিষ্ঠতা অস্বীকার করেছিলেন পার্থ ,আসলে তিনি অর্পিতার
Partha denay relation but he is Arpita"s "uncle"

নিউজ ব্যুরো: জীবন বিমার নথিতে পার্থকে “আঙ্কেল” বলে উল্লেখ করেছেন অর্পিতা। এক জীবন বিমা থেকে এমনই জানা গিয়েছে। গতকাল ইডির হাতে থাকা অর্পিতার ৩১টি বিমার নথিতে নমিনি পার্থই। আর তাতে দেখা যায় নমিনি হিসাবে পার্থকে “আঙ্কেল” বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ সোমবার নয়, আগামীকাল ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী, কিন্তু কেন?

তবে এটা কি সত্যি? এই প্রশ্ন নিয়ে দ্বন্দ্বে গোটা বঙ্গবাসী।আসলে, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বেলঘড়িয়ার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে ৩১ টি জীবন বীমার তথ্য উদ্ধার করে ইডি। এরপর এলআইসি ও অর্থমন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানতে পারে সমস্ত বিমার কাগজে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিজের “আঙ্কেল” বলে দাবি করেছেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

ঘনিষ্ঠতা অস্বীকার করেছিলেন পার্থ,বিমার কাগজে চাঞ্চল্যকর তথ্য
ঘনিষ্ঠতা অস্বীকার করেছিলেন পার্থ,বিমার কাগজে চাঞ্চল্যকর তথ্য

উল্লেখ্য, জীবন বীমার কাগজে নাম, ঠিকানা ও নমিনির নাম থাকলেও তাদের মধ্যে সম্পর্ক উল্লেখ করা থাকে না। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে প্রথমে ইডি আধিকারিকরা এলআইসি এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর যোগাযোগ করা হয় অর্থমন্ত্রকের সঙ্গে। এরপর ইডিএমএস পদ্ধতির মাধ্যমে অর্থমন্ত্রক থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শেষমেষ অপা জুটির সম্পর্কের সমীকরণ সামনে আসছে। বহু চর্চিত সম্পর্ক আপাতত খাতায়-কলমে দেখাচ্ছে যে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের কাকু ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

বৃহস্পতিবার জেরায় পার্থবাবু দাবি করেন, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে তিনি তেমন ভাবে চেনেন না। শুক্রবার দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরার সময় পার্থবাবুর কাছে তদন্তকারীরা জানতে চান আপনি একে চেনেন? জবাবে পার্থবাবু বলেন, ‘‌না তেমনভাবে চিনি না। অনেকেই আসেন আমার কাছে। তাই দেখেছি। নাকতলার পুজোতেও দেখেছি।’‌ এই মন্তব্যের পরই পার্থকে প্রশ্ন করা হয়, ‘‌অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে এত টাকা উদ্ধার হয়েছে জানেন আপনি?’‌ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জবাব, ‘‌শুনলাম। তবে ওই টাকা আমার নয়।’‌

ঘনিষ্ঠতা অস্বীকার করেছিলেন পার্থ,বিমার কাগজে চাঞ্চল্যকর তথ্য 

ঘনিষ্ঠতা অস্বীকার করেছিলেন পার্থ,বিমার কাগজে চাঞ্চল্যকর তথ্য
ঘনিষ্ঠতা অস্বীকার করেছিলেন পার্থ,বিমার কাগজে চাঞ্চল্যকর তথ্য

তবে,গত ২২জুলাই পার্থের বাড়ি থেকে পাওয়া নথিতে প্রথমে কিন্তু অর্পিতার নাম জানতে পারে তদন্তকারী সংস্থা ইডি। আর সেদিনের বিকেলে অর্পিতার টালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেন ইডির আধিকারিকরা। আর এরপর অর্পিতা ও পার্থকে গ্রেফতার করেন গোয়েন্দারা।