সমালোচকদের জবাব দিয়ে, রাজ্যে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক বামেরা পুজোতে বাড়াল প্রগতিশীল বুক স্টলের সংখ্যা

সমালোচকদের জবাব দিয়ে, রাজ্যে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক বামেরা পুজোতে বাড়াল প্রগতিশীল বুক স্টলের সংখ্যা

নজরবন্দি ব্যুরোঃ দুর্গাপুজো কে কেন্দ্র করে অনেকদিন ধরেই বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বিভিন্ন প্রচার এর সাথে সাথে রাজ্যজুড়ে প্রগতিশীল বইয়ের দোকান খোলে। শহর থেকেমফস্বল পুজো প্যান্ডেল গুলি দর্শন করার সময় দেখতে পাওয়া যায় এই সমস্ত বুক স্টল। কিন্তু এই মুহূর্তে রাজনৈতিকভাবে ভোটের নিরিখে রাজ্যে বামপন্থীরা শূন্য ।

আরও পড়ুনঃ শ্রীভূমির ‘বুর্জ খলিফা’ নিয়ে এবার সুজিতকে খোঁচা কল্যাণের

আর এই ঘটনায় বিভিন্ন মহলে পুজোই বইয়ের দোকান এবছর বামপন্থীরা দেবেন কিনা তা নিয়ে তামাশা কটুক্তি, ঠাট্টা শুনতে হয়েছে রাজ্যে বামনেতা থেকে বাম মনভাবাপন্ন মানুষদের। যখন রাজনৈতিকভাবে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক বামরা এবার পুজোয় বইয়ের স্টল দেবে তো এই প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যজুড়ে।

সমালোচকদের জবাব দিয়ে, রাজ্যে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক বামেরা পুজোতে বাড়াল প্রগতিশীল বুক স্টলের সংখ্যা

তখনই সব কটাক্ষ, তামাশা ও কটূক্তির জবাব দিয়ে বিগত বছরগুলোর চেয়ে স্টলের সংখ্যা বাড়ানো হল ২০০ মত। আগের পুজো গলিতে রাজ্যে স্টল হত প্রায় হাজারখানেক কিন্তু এবার রাজ্যজুড়ে বামপন্থী দলগুলো প্রায় ১২০০ বুক স্টল দিয়েছেন। আর এই বিষয় নিয়েই সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী জানান,

সমালোচকদের জবাব দিয়ে, রাজ্যে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক বামেরা পুজোতে বাড়াল প্রগতিশীল বুক স্টলের সংখ্যা

সমালোচকদের জবাব দিয়ে, রাজ্যে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক বামেরা পুজোতে বাড়াল প্রগতিশীল বুক স্টলের সংখ্যা

মার্কসীয় ও প্রগতিশীল সাহিত্যের বই বিক্রি করাটা বামেদের রীতি। সেই দেখাদেখি অন্যান্য রাজনৈতিক দল এখন স্টল খুলে বসে। শারদোত্সবে শামিল হওয়ার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রচার তীব্র করতেই স্টল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি।

সমালোচকদের জবাব দিয়ে, রাজ্যে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক বামেরা পুজোতে বাড়াল প্রগতিশীল বুক স্টলের সংখ্যা
সমালোচকদের জবাব দিয়ে, রাজ্যে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক বামেরা পুজোতে বাড়াল প্রগতিশীল বুক স্টলের সংখ্যা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here