রাজ্য শ্রম দপ্তরের প্রায় ছয় হাজার কর্মী গত ১০০ দিন উপার্জন হীন!

রাজ্য শ্রম দপ্তরের প্রায় ছয় হাজার কর্মী গত ১০০ দিন উপার্জন হীন!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য শ্রম দপ্তরের প্রায় ছয় হাজার কর্মী গত ১০০ দিন উপার্জন হীন! পশ্চিমবঙ্গে বেতন বঞ্চনা, শিক্ষক নিয়োগে বে নিয়ম বা চাকরি প্রার্থীদের হাহাকার এই সব নতুন কিছুই নয়। কিন্তু এবার প্রকাশ্যে এল আর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ। রাজ্য শ্রম দপ্তরের প্রায় ছয় হাজার SLO কর্মী বিগত ১০০ দিন উপার্জন হীন! নজিরবিহীন অবস্থা এই সব কর্মীদের সংসারের, লকডাউনের সাথে সাথেই কার্যত এই সব কর্মীদের বাড়িতে ভাতের হাড়ির তলায় থাকা আগুন নিভে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ অবসাদে ভুগছেন হাজারো গ্রুপ-ডি চাকরিপ্রার্থী, মমতা কে ধিক্কার সমীর আইচের।

সামাজিক সুরক্ষা যোজনা প্রকল্পে কাজ করা রাজ্যের প্রায় ছয় হাজার SLO কর্মী SSY এর প্রচার-প্রসার থেকে শুরু করে বেনিফিশিয়ারিদের বেনিফিট পাইয়ে দেওয়া পর্যন্ত সমস্ত কাজ করে থাকে। শুধু মাত্র দুই টাকা কমিশনের ভিত্তিতে। বর্তমানে সেই কমিশন টুকুও আছে বলে কোনো অর্ডার বার হয়নি। অথচ সামাজিক সুরক্ষা যোজনা প্রকল্পের প্রচার-প্রসারের কোন খামতি রাখেনি এস এল ও কর্মীরা। অথচ রাজ্য শ্রম দপ্তরের প্রায় ছয় হাজার কর্মী গত ১০০ দিন উপার্জন হীন অবস্থায় রয়েছেন।

এমতাবস্থায় উপার্জনহীন এস এল ও কর্মীরা চোখের জল ধরে রাখতে পারছে না এরূপ করুণ অবস্থাতে দিন কাটছে। না পারছে রাস্তায় নেমে দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরতে, না পারছে পরিবারের হাতে দুমুঠো অন্ন তুলে দিতে। কারণ COVID 19 এর জন্য সারা রাজ্যব্যাপী লকডাউন পিরিয়ড চলছে। এই কর্মহীন চরম অবস্থা তে এক দিকে করোণার তান্ডব অন্যদিকে উপার্জনহীন পরিস্থিতিতে এস এল ও কর্মীরা দিশেহারা।

তাঁদের এখন একমাত্র ভরসা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটক! উপার্যনহীন কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটক কে আবেদন করেছেন, “শুধুমাত্র আপনারাই পারেন এস এল ও কর্মীদের বাঁচাতে । এস এল ও কর্মীরা বেশি কিছু চাইনা, যদি ন্যূনতম ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা টুকু অন্তত করেন তাহলেই হবে। নইলে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে থেকেও বৃহত্তর আন্দোলনের জন্য রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে এস এল ও কর্মীরা।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x