বর্ধমানে নাড্ডার পাল্টা মিছিল এবার তৃণমূলের।

বর্ধমানে নাড্ডার পাল্টা মিছিল  এবার তৃণমূলের।

নজরবন্দি ব্যুরো : বর্ধমানে নাড্ডার পাল্টা মিছিল এবার তৃণমূলের। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের বীরহাটা থেকে কার্জন গেট পর্যন্ত ‘রোড শো’ করেন, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। আর তাঁর ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই ফের পাল্টা মিছিল করতে চলেছে, তৃণমূল। আগামীকালই বর্ধমানের টাউন হল থেকে নবাভাট পর্যন্ত এই মিছিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের জেলা তৃণমূল। ফলে শনিবার দিনভর ঠাসা কর্মসূচি ছিল নড্ডার। কাটোয়ার মুস্থুলিতে ছিল কৃষক সভা। তারপর সেখান থেকে কৃষকের বাড়িতে বাড়িতে মুষ্টিভিক্ষা থেকে শুরু করে মধ্যাহ্নভোজ।

আরও পড়ুনঃ সিডনির মাঠে ফের বর্ণবিদ্বেষের কালো ছায়া, অভিযোগ দায়ের ভারতীয় দলের।

সেখান থেকে বর্ধমান শহরে গিয়ে রোড শো। শনিবার শহরের বীরহাটা থেকে কার্জন গেট পর্যন্ত ‘রোড শো’। আর ‘রোড শো’-য়ে ছিল জনজোয়ার। সুসজ্জিত গাড়িতে ছিলেন নড্ডা-সহ রাজ্যের অন্যান্য বিজেপি নেতারা। পাশাপাশি রাস্তার দু’পাশেও প্রচুর মানুষের ভিড় জমে যায়। সেই রোড শো-এর পর সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডা

সভা থেকে শুরু করে সাংবাদিক বৈঠক সবেই একে একে বিঁধলেন তৃণমূলকে। এদিন তিনি বলেন, এদিন তিনি তৃণমূলের বহিরাগত তরজা নিয়ে বলেন, ‘‘বাংলাকে এক সময় বলা হত, বাংলা আজ যা ভাবে, ভারত কাল সেটা ভাবে। বাংলা বহু বিপ্লবী, বহু আন্দোলনকারীদের ভূমি। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য আজ এক দেশ, এক সংবিধান দেশে। বাংলার প্রেরণা নিয়ে দেশ গঠন হয়েছে। সেই রকমই এখানকার ভাষা, এখানকার সংস্কৃতি। তার উপরেই আমরা বাঁচি।’’

এছাড়াও সংস্কৃতির প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই মমতার সেই আক্রমণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘উনি যে সংস্কৃতি নিয়ে চলছেন, সেটা কি বাংলার সংস্কৃতি? তোলাবাজি, কাটমানি, কয়লা মাফিয়া, বালি মাফিয়া— এ সব কি বাংলার সংস্কৃতি? সেটাও ছেড়ে দিলাম, আমার নামের সঙ্গে যে অলঙ্কার যোগ করেছেন, সেটা কি বাংলার সংস্কৃতি? ডায়মন্ড হারবারে যাওয়ার পথে আমার উপর যে পুষ্পবর্ষণ হয়েছিল, সেটা কি এখানকার সংস্কৃতি? আপনি একনায়কতন্ত্রের প্রতিনিধি? বাংলার সংস্কৃতির প্রতি অবমাননা এটা।

বর্ধমানে নাড্ডার পাল্টা মিছিল এবার তৃণমূলের। আমরা বাংলার সংস্কৃতি নিয়ে গর্ববোধ করি। আমরা সম্মান করি, তার উপর নির্ভর করেই বেঁচে থাকি।’’ এমনকি এদিন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নড্ডা বলেন, ‘‘রাজ্যে ৩ শতাধিক বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে। এখানে পুলিশের রাজনীতিকরণ হয়েছে। পুলিশ শাসক দলের হয়ে কাজ করছে।’’ 

এছাড়াও কৃষি আন্দোলন নিয়ে কৃষকদের উদ্দেশ্য এদিন তিনি বলেন, “কৃষকদের কৃষি বাজেট ৬ গুন বাড়িয়েছে কেন্দ্র।” এছাড়াও তৃণমূলকে বিঁধে এদিন তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস মানে কাটমানি।” আমফানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণের  টাকায় দুর্নীতির অভিযোগে এদিন তিনি তৃণমূল কে চাল চোরের ও ত্রিপল চোর বলে কটাক্ষ করেন। এছাড়াও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কথা তুলে তিনি এদিন বলেন, “ক্ষমতায় এলে আয়ুষ্মান ভারত পাবে বাংলা”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x