Marital Rape: বৈবাহিক ধর্ষণ স্বীকৃত হলে অনেক বিয়ে বিচার ছাড়াই ভেঙে যেতে পারে! মামলা করল পুরুষ অধিকার রক্ষা সংগঠন

বৈবাহিক ধর্ষণ স্বীকৃত হলে অনেক বিয়ে বিচার ছাড়াই ভেঙে যেতে পারে! মামলা করল পুরুষ অধিকার রক্ষা সংগঠন
বৈবাহিক ধর্ষণ স্বীকৃত হলে অনেক বিয়ে বিচার ছাড়াই ভেঙে যেতে পারে! মামলা করল পুরুষ অধিকার রক্ষা সংগঠন

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে ধর্ষণের প্রসঙ্গ টানা যায় কিনা তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে দেশে। অনেকের মতে বিষয়টি পশ্চিমী সংস্কৃতি থেকে আমদানি করা হয়েছে। এ নিয়ে দীর্ঘ বিতর্ক চলছে। বহু মামলাও হয়েছে। কিন্তু এখনও আমাদের দেশে বৈবাহিক ধর্ষণ নিয়ে সুস্পষ্ট কোনও আইন নেই।

আরও পড়ুনঃ ঘন ঘন না, ৪৮ ঘন্টার গ্যাপে করুন সঙ্গম দ্বিগুণ বাড়বে উত্তেজনা, বললেন বিশেষজ্ঞরা

এবার এই নিয়ে ফের একবার বিতর্ক তৈরি হল দেশে। আর এই বিতর্কের কেন্দ্রে এক পুরুষ অধিকার সংগঠন। তাঁদের দাবি বৈবাহিক ধর্ষণকে যদি ধর্ষণ হিসাবে গণ্য করা হয়, এবং সেটা অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হয়, তাহলে বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানটির উপর বিশ্বাস হারাবেন মানুষ। একটি গর্ভপাত সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, বিবাহিত মহিলারাও ‘ধর্ষণে’র শিকার হতে পারেন।

বৈবাহিক ধর্ষণ স্বীকৃত হলে অনেক বিয়ে বিচার ছাড়াই ভেঙে যেতে পারে! মামলা করল পুরুষ অধিকার রক্ষা সংগঠন

আদালতের এই মন্তব্যের পরেই প্রতিবাদে নেমেছে পুরুষ আয়োগ ট্রাস্ট নামের ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তাঁদের বক্তব্য, ভারতীয় আইন অনুযায়ী স্ত্রী প্রাপ্তবয়স্ক হলে জোর করে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগে স্বামীকে শাস্তি দেওয়া যায় না। বৈবাহিক ধর্ষণ স্বীকৃত হলে অনেক বিয়ে উপযুক্ত বিচার ছাড়াই ভেঙে যেতে পারে।

বৈবাহিক ধর্ষণ স্বীকৃত হলে অনেক বিয়ে বিচার ছাড়াই ভেঙে যেতে পারে! মামলা করল পুরুষ অধিকার রক্ষা সংগঠন

কারণ জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ প্রমাণের ক্ষেত্রে স্ত্রীর জবানবন্দি ছাড়া আর কোনও বিকল্প থাকে না। অপর দিকে স্বামী পুরুষটির সামনে নিজেকে নিরাপরাধ প্রমান করার কোন উপায় থাকে না। এই নিয়ে একাধিক পিটিশান দাখিল করেছে ঐ পুরুষ অধিকার সংগঠনটি।

বৈবাহিক ধর্ষণ স্বীকৃত হলে অনেক বিয়ে বিচার ছাড়াই ভেঙে যেতে পারে! মামলা করল পুরুষ অধিকার রক্ষা সংগঠন

15 10

তাঁদের যুক্তি এই সময় দাঁড়িয়ে দেশে ভুয়ো নারী নির্যাতন এবং গার্হস্থ্য হিংসার কারণে বহু পুরুষ আত্মহত্যা করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই যদি বৈবাহিক ধর্ষণ বৈধতা পায় তাহলে আগামী দিনে বহু নিরপরাধ পুরুষ শাস্তি পাবে বা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হবেন।