এক ব্যক্তি এক পদ, রদবদলের ঠিক আগে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পিকে-মমতা।

এক ব্যক্তি এক পদ, রদবদলের ঠিক আগে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পিকে-মমতা।
এক ব্যক্তি এক পদ, রদবদলের ঠিক আগে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পিকে-মমতা।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ এক ব্যক্তি এক পদ, রদবদলের ঠিক আগে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পিকে-মমতা। ভোটের আগে জুটি বেঁধে মমতাকে বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিতিয়েছেন তিনি, আর ভোটের পর এবার প্রশাসনিক রদবদলের ক্ষেত্রেও ভোটকৌশলী প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই প্রশাসনিক রদবদলের আগে তাঁর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

আরও পড়ুনঃ দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে দার্জিলিং, আজ রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ১৯ জনের।

শুক্রবার দুপুরে প্রায় ঘণ্টা তিনেক পিকের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। প্রসঙ্গত ভোটে জেতার পরই জানা গিয়েছিল এবার থেকে এক ব্যক্তি এক পদ, নীতিতে হাঁটবে রাজ্যের শাসকদল। যাতে প্রশাসনিক বা সরকারের কাজে কোনওরকম অসুবিধা না করেই দলের সংগঠন বৃদ্ধির কাজ চালিয়ে যাওয়া যায়। মূলত সেই লক্ষ্যেই ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নিয়ম চালু করছে শাসকদল। রাজ্যের কোনও মন্ত্রীকে আর জেলা সভাপতি বা দলের অন্য কোনও সাংগঠনিক পদে রাখা হবে না।

এক ব্যক্তি এক পদ, রদবদলের ঠিক আগে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পিকে-মমতা। সাংগঠনিক থেকে প্রশাসনিক রদবদলের ঠিক আগে দুজনের এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

আবার দলের কোনও পদাধিকারিকে নিয়োগ করা হবে না প্রশাসনিক পদে। জেলাস্তর থেকে একেবারে ব্লকস্তর পর্যন্ত এই নিয়ম চালু থাকবে। ‘এক ব্যক্তি এক পদ’, এই নতুন নিয়মের ফলে অন্তত চারটি জেলার জেলা সভাপতি বদল করতে হবে শাসক শিবিরকে। উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া গ্রামীণ, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পূর্ব বর্ধমানের জেলা সভাপতিরা এই মুহূর্তে রাজ্যের মন্ত্রীপদে রয়েছেন।

এদের সকলকেই যে কোনও একটি পদ ছাড়তে হবে। শুধু সাংগঠনিক ক্ষেত্রেই নয় রদবদল কড়া হবে ব্লক স্তরেও। এদিকে রাজ্যে আসন্ন উপনির্বাচন, আবার পরিস্থিতি ঠিক থাকলে তারপরেই থাকবে পুর নির্বাচন। তাই দ্রুত এই রদবদল সেরে সংগঠনকে নতুনভাবে গুছিয়ে দ্রুত ভোটের প্রস্তুতি শুরু করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। সম্ভবত সেই রদবদল নিয়েই আজ এই বৈঠক।

এক ব্যক্তি এক পদ, রদবদলের ঠিক আগে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পিকে-মমতা।
এক ব্যক্তি এক পদ, রদবদলের ঠিক আগে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পিকে-মমতা।

‘এক ব্যক্তি এক পদ’, রদবদলের ঠিক আগে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পিকে-মমতা। প্রসঙ্গত নির্বাচন জিতিয়ে আপাতত পিকে বিরতিতে থাকলেও তাঁর সংস্থা I-PAC এখনও তৃণমূলের হয়েই কাজ করছে। তাছাড়া একুশের ভোটে তৃণমূল স্তরে কাজ করেছে পিকের টিম। সেক্ষেত্রে কোন জেলায়, কোন নেতার প্রভাব বেশি, কার ভাবমূর্তি উজ্বল, সবটাই তাঁর নখদর্পণে। আবার রাজনৈতিক থেকে সাংগঠনিক সমস্ত ক্ষেত্রে পিকের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে এই বৈঠক সারলেন মমতা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here