মরা মাছ নুন-হলুদ দিয়ে ড্রাই করে নিন, পরে ঝোল করে খান, মমতার নিদানে ভাবনায় মেছো-বাঙালি

মরা মাছ নুন-হলুদ দিয়ে ড্রাই করে নিন, পরে ঝোল করে খান, মমতার নিদানে ভাবনায় মেছো-বাঙালিকে
মরা মাছ নুন-হলুদ দিয়ে ড্রাই করে নিন, পরে ঝোল করে খান, মমতার নিদানে ভাবনায় মেছো-বাঙালিকে

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মরা মাছ নুন-হলুদ দিয়ে ড্রাই করে নিন, ইয়াসের বিপর্যয়ে বহু পরিমাণ মাছ মারা যাবার খবরে ক্ষতি কমের উপায় হিসেবে এটাই বাতলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে ইয়াস। গত বছরের আমফানের থেকে ঝড়ের দাপট কম হলেও গোদের ওপর বিষ ফোঁড়া হয়ে একই সঙ্গে এসেছিলো পুর্ণিমা।

আরও পড়ুনঃ দ্রুত সাধের দিঘার সৌন্দর্য ফেরাতে প্রয়োজন আলাপনকেই! দিঘা উন্নয়ন পর্ষদের দায়িত্বে মুখ্যসচিব

ঝড়ের হাত থেকে তুলনায় কিছুটা রক্ষা পাওয়া গেলেও পুর্ণিমার ভরা কোটালের ফলে নদি তলের জল বেড়েছিল হুহু করে। নদীর বাঁধ ভেঙে বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে কয়েক ঘন্টায়। স্বাভাবিক ভাবেই সমুদ্রের নোনা জল ঢুকে পড়ায় প্রচুর পরিমাণ মাছ মারা গিয়েছে।

গতকাল রাজ্যের পরিস্থিতির খোঁজ খবরের সম এই তথ্য মুখ্যমন্ত্রীর সামনে এলে তিনি চটপট নিদান দেন মরা মাছা রোদে শুকিয়ে নেওয়ার। গত কাল তিনি বলেছিলেন ‘ছোট মাছের সঙ্গে প্রচুর বড় মাছ মারা গিয়েছে।’ এই ক্ষতি এড়াতে তিনি বলেন, ‘বড় মাছগুলিকে তুলে এক জায়গায় জড়ো করে কেটে কেটে শুকিয়ে ফ্রাই করতে পারো। এটা আমরা বাজারে বিক্রি করতে পারি কিনা! তাহলে মাছটা ভালো থাকবে। আমরা যেমন করি! কেটে পরিষ্কার করে মাছে নুন-হলুদ মাখিয়ে রেখে দিই। এতে মাছটা ভালো থাকে।’

মরা মাছ নুন-হলুদ দিয়ে ড্রাই করে নিন,  সঙ্গে আরও যোগ করেন ‘মাছ অনেক মরে গেছে। বাংলার মানুষ তো মাছ খেতে ভালোবাসে। শারীরিকভাবে ক্ষতি না হলে সেই মাছটা তুলে নুন হলুদ মাখিয়ে রোদ্দুরে শুকিয়ে বা ড্রাই করার ব্যবস্থা করতে পারি। তাহলে লোকে নেবে। সেগুলি বাড়িতে ঝোল করে খেতে পারে।’

তবে নিজের নিদানের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ দের মত নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু গত ২৪ ঘন্টা ধরে মাছে-ভাতে বাঙালির আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে মুখ্যমন্ত্রীর এই নিদান। কেউ যুক্তি দিচ্ছেন সপক্ষে, কেউ বা বিপক্ষে। সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে বিস্তর আলোচনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here