এবার শিল্পর দিকে লক্ষ্য মমতার, একসাথে একাধিক বিনিয়োগের ঘোষণা

এবার শিল্পর দিকে লক্ষ্য মমতার, একসাথে একাধিক বিনিয়োগের ঘোষণা
এবার শিল্পর দিকে লক্ষ্য মমতার, একসাথে একাধিক বিনিয়োগের ঘোষণা

নজরবন্দি ব্যুরোঃ এবার শিল্পর দিকে লক্ষ্য মমতার, পানাগড়ে পলিফিল্মের কারখানার শিলান্যাস করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার শিল্পে জোর দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন। জানালেন, “বাংলায় বিনিয়োগ করুন। আমাদের সরকার শিল্পের পাশে আছে। এ রাজ্য শিল্পে একনম্বর হবেই। এবার শিল্পই টার্গেট আমাদের।”

আরও পড়ুনঃ নারদ কান্ডে তলব ফিরহাদ-মদন-শোভন-সুব্রত’কে, সমন যাচ্ছে শুভেন্দু-মুকুলের ঘরেও

পাশাপাশি শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে এদিন তিনি শিল্পবান্ধব দুটি নয়া নীতি গ্রহন করেন। এবং এও জানান, ওয়েস্টবেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল বোর্ড গঠন করা হবে, যার মাথায় থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। পাশাপাশি এখন থেকে শিল্প গড়ার ছাড়পত্র দেবেন বলেও জানিয়েছেন মমতা। এবার ইথানল প্রোডাকশন প্রোমোশন পলিসি চালু করল রাজ্য। এই ইথানল যেহেতু ভাঙা চাল থেকে তৈরী হয়। তাই এবার থেকে সেই চাল চাষিদের থেকে কিনে নেওয়া হবে। তাতে কম দামে আর কাউকে বেচতে হবেনা।

আর এই ভাঙা চাল দিয়েই তৈরী হবে বায়ো ফুয়েল। গ্রামে গ্রামে তৈরী হবে জ্বালানী তৈরির কারখানা। কাজ পাবেন অন্তত ৪৮ হাজার মানুষ। এই শিল্পে এক বছরে দেড় হাজার কোটি বিনিয়োগ হবে বলে আশা মুখ্যমন্ত্রীর। পাশাপাশি, আগামী ৫ বছরে রাজ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াটের ডেটা সেন্টার গড়ে তোলা হবে। এই সেন্টার কেবল বাংলা নয় প্রতিবেশি দেশ, যেমন- নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশকেও সাহায্য করবে। এতে বিনিয়োগ করা হবে ২০ হাজার কোটি টাকা। তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ২৪ হাজার যুবক-যুবতী চাকরি পাবেন।

এবার শিল্পর দিকে লক্ষ্য মমতার, করা হবে বিপুল বিনিয়োগ। 

এবার শিল্পর দিকে লক্ষ্য মমতার, ইতিমধ্যে দেউচা পাচামির কয়লাখনির দ্বিতীয় দফা কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। সেখানকার অধিবাসীদের পুনর্বাসন দেবে রাজ্য। বিনিয়োগ হবে ১৫ হাজার কোটি। এ ক্ষেত্রেও কাজ পাবেন বহু মানুষ। অন্যদিকে দ্রুত তাজপুর বন্দর চালু করা হবে। ফলে এই বন্দর থেকে আমদানি-রপ্তানির পরিমান বাড়বে। পাশাপাশি রঘুনাথপুরে হচ্ছে শিল্পতালুক, নাম জঙ্গলমহল সুন্দরী। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ হবে ৭২ হাজার কোটি। মিলবে লক্ষ-লক্ষ চাকরি।

আবার পানাগড়ে শিল্পতালুকে ৮ হাজার কোটি বিনিয়োগ হবে। ইতিমধ্যে ৪০০ কোটি পলিফিল্মের কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে। চাকরি পাবেন ১৫ হাজার জন। জামুড়িয়া-হাওড়ায় বিরাট বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি অমৃতসর-ডানকুনি ফ্রেট করিডোর তৈরি হচ্ছে। বিনিয়োগ হবে ৭২ হাজার কোটি টাকা। আবার অশোকনগরে তৈল প্রকল্প তৈরী হবে। সেখানেও হবে একাধিক কর্মসংস্থান। বানতলায় লেদার কমপ্লেক্স তৈরি হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ থেকে বেশিরভাগ চর্মশিল্প এরাজ্যে চলে এসেছে। সেখানেও ৫ লক্ষের বেশি কর্মসংস্থান হবে। গত কয়েক বছরে রাজ্যের শিল্পে ১ লক্ষ কোটি বিনিয়োগ হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here