করোনা সংক্রমণের জেরে রাজ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধ মাধ্যমিক, উচ্চ-মাধ্যমিক!

করোনা সংক্রমণের জেরে রাজ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধ মাধ্যমিক, উচ্চ-মাধ্যমিক!
করোনা সংক্রমণের জেরে রাজ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধ মাধ্যমিক, উচ্চ-মাধ্যমিক!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা সংক্রমণের জেরে রাজ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধ মাধ্যমিক, উচ্চ-মাধ্যমিক! মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক নিয়ে নেওয়া হল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। গতবছর করোনার কোপ পড়েছিল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার উপর। আর এবছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর ফের দুই অতি গুরুত্ত্বপূর্ণ পরীক্ষার উপর জমে উঠেছে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ।

আরও পড়ুনঃ চরম মানসিক চাপ ও উৎকণ্ঠাজনিত কারণেই উডবার্নে ভর্তি সুব্রত-মদন-শোভনরা!

এমনিতে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এপ্রিলের শেষেই মিটে যায় দুই পরীক্ষা। তবে এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষা আগেই পিছিয়ে করে দেওয়া হয়েছিল জুন মাসে। এবার সেতাও বন্ধ হয়ে গেল। রাজ্যে ভোট চলাকালীন দেশে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। বেশিরভাগ রাজ্যেই চলছে লকডাউন। যার জেরে ইতিমধ্যেই পিছিয়ে গিয়েছে সিবিএসসি ও আইসিএসসির দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা। পিছিয়ে গিয়েছে ইউপিএসসি ও নিটের মত মহা গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও।

রাজ্যেও করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ১৫ দিনের জন্য প্রায় লকডাউন লাগু হয়েছে। যার জেরে আগেই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নির্দিষ্ট সময় থেকে পিছিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত সিদ্ধান্ত হয়েছে কোভিড পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার পরেই হবে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক। আজই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের কর্তা ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কর্তাদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

সূত্রের খবর সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে রাজ্যে কোভিড সংক্রমণ কমলে তবেই হবে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক। প্রসঙ্গত করোনাকালে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের যত বিদ্যালয় আছে সেখানে সেফ হোম করা হবে। সেইমতো প্রত্যেক জেলা শাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা সংক্রমণের জেরে রাজ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধ মাধ্যমিক, উচ্চ-মাধ্যমিক!

যদিও পরীক্ষা বাতিল নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আশার আলো দেখিয়ে ব্রাত্যবাবু বলেছেন,  ‘‘আপনারা পরীক্ষা বাতিল-বাতিল করছেন কেন জানি না৷ আমরা আশা করতে পারি, কোভিড সংক্রমণ কমে যাবে৷  তারপর পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে পর্ষদ-সংসদ গাইডলাইন তৈরি করবে৷”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here