নজরবন্দি ব্যুরোঃ মেয়াদ ফুরোলেই জেলে পাঠানোর হুঁশিয়ারি, রাজ্যপালকে বেনজির আক্রমন কল্যানের। রাজ্যের সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সম্পর্ক বরাবরই তিক্ত। সেই সম্পর্ক ফের একবার প্রকাশ্যে এসে পড়ল। তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যখন নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমন করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনগরকে। প্রসঙ্গত নারদা মামলায় মদন, ফিরহাদ, সুব্রত ও শোভনকে গ্রেফতারের জন্য রাজ্যপালের কাছে যায় CBI।
আরও পড়ুনঃ তৈরি নিম্নচাপ, ‘ইয়াস’ তৈরি হতে পারে কাল, ঝড়ের মোকাবিলার প্রস্তুতি তুঙ্গে রাজ্যে।


কালবিলম্ব না করে সেই অনুমতি দেন তিনি। তারপরেই গ্রেফতার হন চার হেভিওয়েট। সেই সময় ‘পাগলা কুকুর’ বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন কল্যাণ। আর এবার ফের বেনজির আক্রমন করে ‘রক্তচোষা’ বলে রাজ্যপালকে কটাক্ষ করেছেন ওই সাংসদ। যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রবিবার কল্যাণবাবু বলেন, “উনি (রাজ্যপাল) জেনেবুঝে, ইচ্ছাকৃত বাংলার ক্ষতি করে চলেছেন। আর কোনও রাজ্যপাল এমন করেন না। রাজ্যপাল সকাল থেকে সন্ধে তৃণমূলের পিছনে পড়েছে। উনি ‘রক্তচোষা’। রাজ্যপালের ফোন টেলিফোন, ওনার সঙ্গে যাঁরা থাকেন। তাঁদের ফোন খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে গ্রেপ্তারির পিছনে উনিই রয়েছেন।”
সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কোনও মামলা করা যায় না। সেই প্রসঙ্গে কল্যাণবাবু বলেন, “আমি জানি এখন ওনার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা যাবে না। তবে আমি সবাইকে বলছি সব থানায় ধনকড়ের বিরুদ্ধে মামলা করুন। উনি যখন রাজ্যপাল থাকবেন না, তখন কেস শুরু করা যাবে। বলা যায় না, হয়তো প্রেসিডেন্সি জেলেই ওনার ঠাঁই হবে।” এদিকে তাঁর এই মন্তব্যের নিন্দা করে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন “উনি উন্মাদের মতো কথা বলছেন। দলেই ওনার কোনও গুরুত্ব নেই।”
মেয়াদ ফুরোলেই জেলে পাঠানোর হুঁশিয়ারি, রাজ্যপালকে বেনজির আক্রমন কল্যানের। যার জবাবে কল্যানবাবু বলেন “দিলীপ ঘোষ বদ্ধ উন্মাদ, অশিক্ষিত। অনেক বড় বড় কথা বলেছিলেন, হাত ভাঙবেন পা ভাঙবেন। কী লাভ হল? সবাই ওনাকেই শুইয়ে দিল। উনিই এখন বিজেপির কাছে অবাঞ্চিত।” কুকথা, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে আপাতত উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি।


সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



