একই মাস্ক ব্যবহারের ফলেই কি শরীরে বাসা বাঁধছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিস? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা

একই মাস্ক ব্যবহারের ফলেই কি শরীরে বাসা বাঁধছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিস? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা
একই মাস্ক ব্যবহারের ফলেই কি শরীরে বাসা বাঁধছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিস? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা

নজরবন্দি ব্যুরো: একই মাস্ক বহুদিন ব্যবহার করেন? তাহলে সাবধান হোন। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের মতো বিপদকে আপনি নিজে থেকে ডেকে আনছেন। গোটা দেশ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত। এই মারণ ভাইরাস থেকে বাঁচতে  করতে এখন প্রধান অস্ত্র তিনটি।

আরও পড়ুনঃ ব্ল্যাক ও হোয়াইট ফাঙ্গাসের পর এবার দেখা মিলল ইয়োলো ফাঙ্গাসের! কি লক্ষণ জেনে নিন

প্রথমত পরতে হবে মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং মেনে চলতে হবে শারীরিক দূরত্ববিধি। তবেই আমরা অদৃশ্য শত্রুর সঙ্গে লড়াইয়ে জয়ী হতে পারব। কিন্তু অনেকেই মাস্কের ভুল ব্যবহার ডেকে আনছে নয়া বিপদ। এইমসের একদল চিকিৎসকের মতে, টানা ২-৩ সপ্তাহ ধরে একই মাস্ক ব্যবহারের ফলে শরীরে বাসা বাঁধছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিস।

এইমসের স্নায়ুবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক চিকিৎসক পি শরৎচন্দ্র হালের মতে, অপরিচ্ছন্নতার কারণে এই ছত্রাক জন্মায়। তাই মাস্ক একটানা ব্যবহার করলে তাতে জন্মাতে পারে ছত্রাক। তার থেকে অনায়াসে ছড়াতে পারে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। চিকিৎসকদের তাই প্রতিদিন ভাল করে মাস্ক সাবান দিয়ে ধুয়ে নেওয়া প্রয়োজন বলেই মত। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস জন্ম নিচ্ছে বলেই মত চিকিৎসক সুরেশ সিং নারুকারেরও।

দীর্ঘদিন ধরে একই মাস্কের ব্যবহারের পাশাপাশি হাওয়া চলাচল করে না এমন ঘরে বসবাসের ফলেও শরীরে থাবা বসাতে পারে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। এছাড়া যাঁরা অনিয়ন্ত্রিত স্টেরয়েড ব্যবহার করেন তাঁরাও এই ধরনের ছত্রাকের শিকার হতে পারেন বলেই মনে করছেন চিকিৎসক নারুকা। এইমসের ডিরেক্টর চিকিৎসক রণদীপ গুলেরিয়াও এই বিষয়ে একমত হয়েছেন। তিনিও মনে করেন, কোভিড রোগীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্টেরয়েডের ব্যবহার বিপদ ডেকে আনতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here