কেউ খোঁজ নেন না মুকুলের, বিজেপি-কে হুঙ্কার দিয়ে তৃণমূলের পাশে শুভ্রাংশু।

কেউ খোঁজ নেন না মুকুলের, বিজেপি-কে হুঙ্কার দিয়ে তৃণমূলের পাশে শুভ্রাংশু।
কেউ খোঁজ নেন না মুকুলের, বিজেপি-কে হুঙ্কার দিয়ে তৃণমূলের পাশে শুভ্রাংশু।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেউ খোঁজ নেন না মুকুলের, বিজেপি-কে হুঙ্কার দিয়ে তৃণমূলের পাশে দাঁড়ালেন বিজেপি সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায়। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের তীব্র সঙ্ঘাতের আবহে বিজেপিকে তুলোধনা করলেন তিনি। এদিন এক ফেসবুক বার্তায় শুভ্রাংশু লিখেছেন, “জনগণের সমর্থন নিয়ে আসা সরকারের সমালোচনা করার আগে আত্মসমালোচনা করা বেশি প্রয়োজন!”

আরও পড়ুনঃ পায়ে পড়তে হবেনা, সংবিধান মেনে চলুন। মমতাকে নন্দীগ্রামের ‘পরাজয়’ খোঁচা শুভেন্দু-র!

এতেই যেন ঘৃতাহুতি হয়েছে। শুভ্রাংশুর পোস্ট ব্রম্ভাস্ত্রর মত বিঁধেছে বিজেপির অন্দরমহলে। বীজপুর আসনে শুভ্রাংশু তৃণমূল প্রার্থীর কাছে হেরে গিয়েছেন ‘২১ নির্বাচনে। বিজেপির লোকসভা জয়ের কাণ্ডারী মুকুল রায়কে কার্যত বসিয়ে দেওয়া হয় বিধানসভা নির্বাচনে। একপ্রকার বাধ্য করা হয় কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে প্রার্থী হওয়ার। বিজেপির ভরাডুবির মধ্যেই নিজের আসনে জিতেছেন মুকুল। কিন্তু জেতাতে পারেননি পুত্রকে।

কিন্তু শুভ্রাংশু আচমকা কেন এমন সমালোচনা করলেন? সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, “এটা তো মানতে হবে যে একটা সরকার মানুষের বিপুল সমর্থন নিয়ে সবে ক্ষমতায় এসেছে। তার মধ্যেই সিবিআইয়ের টানাটানি শুরু হয়েছে। তার পর মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এ ভাবে বিরক্ত না করে আমাদের তো আত্মসমালোচনা করা উচিত।”

কেউ খোঁজ নেন না মুকুল রায়ের পরিবারের? শুভ্রাংশু তাঁর বাবা এবং মায়ের অসুস্থতা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন এদিন। তিনি বলেন, “এই যে মা এতদিন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বাবাকে আজ কাচড়াপাড়ায় নিয়ে এলাম। একমাত্র শুভেন্দু দা ছাড়া দলের কেউ আমাকে বা বাবাকে ফোন করেছেন? হ্যাঁ দিব্যেন্দু দা (দিব্যেন্দু অধিকারী) ফোন করেছিলেন। তিনি তো আমার দলের কেউ না। কিন্তু আমাদের দলের কেউ তো ফোন করেননি!”

এদিকে ভোটে পরাজয়ের পর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া অনেকেই বেসুরো হতে শুরু করেছেন, অনেকে ফেরার আবেদন করে ওয়েটিং লিস্টে রয়েছেন, অনেকে আবার ইঙ্গিত দিচ্ছেন। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতি নিয়ে কার্যত স্পিকটি নট। সব্যসাচী দত্ত জানিয়েছেন, উনি(মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বয়সে বড়। ব্যক্তিগত স্তরে সম্পর্ক খারাপ হয়নি। ওনার রাজনৈতিক ম্যাচিওরিটির সঙ্গে আমার কোনও তুলনা চলে না। আমার কোনও প্রতিযোগিতা তাঁর সঙ্গে নেই।’‌

উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোট পর্বের মধ্যেই মুকুল রায়ের সুনাম করেছিলেন। ফল বেরোনোর পর বার্তা দিয়েছেন দল থেকে বেরিয়ে যাওয়া নেতাদের। যারা ঘরে ফিরতে চায় আসতে পারে! সুতরাং অদূর ভবিষ্যতে যে বাংলার রাজনীতিতে আয়ারাম গয়ারাম চলবে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here