প্রতি মাসে বিদ্যুতের বিল দেখে মাথায় হাত, কি ভাবে কমাবেন? রইল টিপস

প্রতি মাসে বিদ্যুতের বিল দেখে মাথায় হাত, কি ভাবে কমাবেন? রইল টিপস
প্রতি মাসে বিদ্যুতের বিল দেখে মাথায় হাত, কি ভাবে কমাবেন? রইল টিপস

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  বর্তমান সভ্যতায় বিদ্যুৎ ছাড়া একটা মানুষের জীবনে সামাজিক এবং পারিবারিক কাজকর্ম করা প্রায় সম্ভবই নয়। মানব সভ্যতা দিন দিন যত উন্নত হয়েছে বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়েছে প্রতিনিয়ত। লাইট, ফ্যান, টিভি এগুলো তো খুব সাধারন ব্যবহার বিদ্যুতের। তেমনি সভ্যতার উন্নতির সাথে সাথে এখন প্রায় বেশিরভাগ জিনিসই পরিচালিত হয় বিদ্যুতের মাধ্যমে।

আরও পড়ুনঃ জোড়া গোলে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন রোনাল্ডোর, লিগ শীর্ষে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড #CR7IsBack

যেমন গ্যাসের পরবর্তী হিসেবে এসেছে ইন্ডাকশন কুকার মাইক্রোওয়েভ সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স দ্রব্য। যা আমরা ব্যবহার করি প্রতিনিয়ত আর মাসের শেষে যখন বাড়িতে  ইলেকট্রিক বিল আসে তখন হাত পড়ে মাথায়। কিন্তু এইসব জিনিস ব্যবহার না করলেও বর্তমান ব্যস্ত জীবনে সবকিছু সামলে ওঠা খুব কঠিন হয়ে ওঠে।

আর মাসের শেষে বিদ্যুতের বিল দেখার পর মনে হয় কোন কোন জিনিস সামনের মাস থেকে বাদ দেব কিন্তু আসলে সেটা কিন্তু কখনই করা যায় না। আমরা যেটা করতে পারি বিদ্যুতের বিল বাঁচানোর জন্য বা কম করার জন্য তাহলে আমাদের কিছু সচেতনতা। বিদ্যুতের বিল বাঁচানোর জন্য আমাদের কিছু দ্বায়িত্ব এবং কিছু সচেতনতাই যথেষ্ট। যেমন এখন করোনার সময় বেশিরভাগ অফিস বন্ধ বাড়িতে বসেই একজন মানুষকে ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ এ কাজ করতে হয়।

আমরা কাজের সময় বিদ্যুৎ বিল বাঁচানোর জন্য যদি যখন কাজ করছি না তখন আমরা যদি ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ থাকে শাটডাউন করে দিই তবে ওই সময়টায় বাঁচতে পারে অনেকটা বিদ্যুতের বিল। কাজ করবার শেষে সব সময় সুইচ বন্ধ করে রাখতে পারলে আমরা বাঁচাতে পারি বেশ কিছুটা বিদ্যুতের বিল। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় আমরা বিদ্যুৎ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি একটু ভালো করে দেখে বন্ধ করে যেতে পারি বাইরে যাওয়ার আগে লাইট ফ্যান গিজার মিক্সার চিমনি বৈদ্যুতিক গ্যাস কুলার এসি এগুলো বন্ধ করে বাড়ি থেকে বেরোলে বেশ খানিকটা বিদ্যুতের বিল আমরা সাশ্রয় করতে পারি।

প্রত্যেক জিনিসের যেমন আপগ্রেডেশন আছে তেমনি বিদ্যুতের লাইটের ক্ষেত্রেও এসেছে কিন্তু আমূল পরিবর্তন। প্রথমে ছিল বাল্ব ফিলামেন্ট দেওয়া সময়ের সাথে সাথে তা পাল্টে এসেছে এলসিডি বাল্ব। আর এখন এলইডি বাল্ব। এই এলইডি বাল্ব কিন্তু অনেকটা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারে সাধারণ ফিলামেন্টের থেকে। তাই আমরা যদি এলইডি ব্যবহার করি তাহলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় অবশ্যম্ভাবী। আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতেই ফ্রিজ একটা অতিপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক গেজেট কিন্তু আমরা বেশিরভাগ মানুষই ফ্রিজকে  ডিফ্রস্টিং করিনা কিন্তু  ডিফ্রস্টিং না করা থাকলে প্লিজ ফ্রিজে অনেক বেশি বরফ জমে যায় ফলে ঠান্ডা হয় দেরি করে তাতে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয় আমরা যদি কিছুদিন পরপর ফ্রিজ ডিপ হোস্টিং করি তাহলে বাঁচাতে পারি বিদ্যুতের বিল।

আমরা অনেকেই টিভি দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়ি আরটিভি চলতে থাকে সারা রাত আরএইচ সারারাত টিভি চালাতে বেশ খানিকটা বিদ্যুৎ বিল কিন্তু প্রতি মাসে ফালতু খরচ হয় আমরা যদি একটু সচেতন হই স্বয়ংক্রিয় সুইচ এর মাধ্যমে আমরা যদি টিভি বন্ধ করার ব্যবস্থা করি তবে কিন্তু সাশ্রয় হয় বেশ কিছুটা বিদ্যুৎ।

প্রতি মাসে বিদ্যুতের বিল দেখে মাথায় হাত, কি ভাবে কমাবেন?

এই রকম আরো অনেক ছোট ছোট জিনিস আমরা যদি একটু সচেতন ও তার সঙ্গে একটু দায়িত্ব নিয়ে করতে পারি তবে দেখবেন মাসের শেষে বিদ্যুতের বিল দেখে চোখ কপালে উঠবে না। তাই আর দেরি কেন আজ থেকেই শুরু করুন একটু দায়িত্ব নিয়ে নিজের বাড়ির বিদ্যুৎ এর সঠিক ব্যবহার করা তাতে যেমন বিদ্যুতের অপচয় হয় না তেমনি মাসের শেষে পকেট খালি করে বিদ্যুতের বিল দিতে হয় না

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here