নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার থেকে চলতে থাকা হিংসায় এখনও পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বহু জায়গায় জারি কারফিউ। বন্ধ ইন্টারনেট। মণিপুর রাজ্যে ছড়িয়ে পড়া হিংসায় প্রায় ২৩ হাজার মানুষ বাড়ি ছেড়েছেন বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। মিয়ানমার সিমান্তবর্তী রাজ্যটিতে কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর। আজ নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলনে এই বিষয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান বাইরন, তৃণমূলে যাওয়া সময়ের অপেক্ষা?


সোমবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, পুলিশের গুলিতে ওখানে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিজেপি পরিচালিত সরকার সেই পরিসংখ্যান দিচ্ছে না। এই প্রসঙ্গে বলা যায়, ইম্ফাল ও চুরাচান্দপুরের হাসপাতালের মর্গের তথ্যের ভিত্তিতে অন্তত ৫৪ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গিয়েছে।

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ওখানে(মণিপুর) কতজন মারা গিয়েছেন ? কত মানুষকে শ্যুট অ্যাট সাইটে মেরেছে? সরকার বলছে না। আমরা এটা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছি। সংখ্যাটা অনেক।’ মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, কদিন আগে পর্যন্ত আমি জানতাম মৃত্যুর সংখ্যা ৬০-৭০। এখন শুনছি তাঁর থেকে অনেক বেশি। কিন্তু সেই সংখ্যা মণিপুরের বিজেপি সরকার বলছে না।
বিজেপি সরকার কত লোককে গুলি করে মেরেছে…. মণিপুরের সমস্যা ম্যানমেড: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়



মুখ্যমন্ত্রীর মতে, “মণিপুরের সমস্যা ম্যানমেড। রাজনীতি করতে গিয়ে আগুন জ্বালানো হয়েছে।” গত সপ্তাহে শ্যুট অ্যাট সাইট নির্দেশিকা জারি করেছিল মণিপুর সরকার। আজ সেই প্রসঙ্গ টেনেই বিজেপিকে আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মণিপুরের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যথেষ্ট উদবেগে রয়েছি, মণিপুর জ্বলছে।’

উল্লেখ্য, মণিপুরের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি। নবান্নে কন্ট্রোল রুম খুলেছিলেন। সেই কন্ট্রোল রুমে ফোন করেই বিপদের কথা জানায় ১৮ জন পড়ুয়া। ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি অবগত করানো হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সাথে সাথেই ব্যবস্থা নেন তিনি। ফিরিয়ে আনা হয় পড়ুয়াদের।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



