৪ দিনের মধ্যেই দুয়ারে ত্রাণ, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিল নবান্ন।

৪ দিনের মধ্যেই দুয়ারে ত্রাণ, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিল নবান্ন।
৪ দিনের মধ্যেই দুয়ারে ত্রাণ, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিল নবান্ন।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৪ দিনের মধ্যেই দুয়ারে ত্রাণ পৌঁছাবে আর্তদের, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিল নবান্ন। আগামী শুক্রবারের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ক্ষতিপূরণের টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে। নবান্ন সূত্রে খবর এখন পর্যন্ত দেড় লক্ষের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ত্রান পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু এখনও ত্রান পাননি সেই সংখ্যাও অনেক।

আরও পড়ুনঃ আমি চাই তোর ফাঁসি হোক, চোখে জল নিয়ে ‘ভুয়ো CBI’ ছেলে কে বললেন মা!

জানা গিয়েছে রাজ্যের কিছু ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিপর্যয় পরবর্তী সময়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার কারণে আবেদনের তালিকা খতিয়ে দেখতে একটু বেশি সময় লেগেছে। সেই কারনেই দেরি হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, যে সমস্ত এলাকার ক্ষতিগ্রস্তরা এখনও ত্রান পাননি তাঁদের আগামি শুক্রবার অর্থাৎ ৪ দিনের মধ্যেই দুয়ারে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলাশাসকদের সেই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী।

উল্লেখ্য, ৩ জুন থেকে ১৮ই জুন পর্যন্ত দুয়ারে ত্রান প্রকল্পে আবেদন পত্র জমা নেওয়া হয়েছে। ১৯ জুন থেকে ৩১শে জুন পর্যন্ত আবেদন পত্র যাচাইয়ের কাজ চলে। গত ১ জুলাই থেকে ত্রান দেওয়া শুরু হয়। পূর্ব ঘোষণা মত ৭ই জুলাই এর মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু ১২ই জুলাই এর মধ্যেও সেই কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব।

৪ দিনের মধ্যেই দুয়ারে ত্রাণ, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিল নবান্ন।

প্রসঙ্গত, ঘুর্নিঝড়ের পর হিঙ্গলগঞ্জ কলেজের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়ে ছিলেন ত্রান নিয়ে কোন প্রকার বঞ্চনা সহ্য করবেন না তিনি। সকলে যেন ঠিক মতো ত্রাণ, খাবার, ওষুধ পান সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দেন মমতা।

৪ দিনের মধ্যেই দুয়ারে ত্রাণ, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিল নবান্ন।
৪ দিনের মধ্যেই দুয়ারে ত্রাণ, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিল নবান্ন।

নবান্নের নির্দেশিকা অনুযায়ী শস্য নষ্ট হওয়ার খাতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা অন্তত ১০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৫০০ টাকা পাবেন। কৃষি দফতর এই ত্রাণবিষয়ক দেখাশোনা করবে। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর পুরোপুরি বিধ্বস্ত এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর মেরামতির দায়িত্ব নিয়েছে। একেবারে ভেঙে পড়া বাড়ি ঠিক করতে ক্ষতিগ্রস্তদের ২০ হাজার টাকা এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্তদের ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

মহিষ কিংবা গরুর ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩০ হাজার টাকা এবং ছাগল, ভেড়া, শুয়োর মারা গেলে কিংবা ভেসে গেলে ৩ হাজার টাকা দেওয়া হবে। অন্যদিকে ভারবাহী পশু মহিষের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২৫ হাজার এবং বাছুরের জন্য ১৬ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পান চাষীদের জন্য থাকছে ৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ।

মত্‍স্য দফতর জেলেদের পুরোপুরি ভেঙে যাওয়া নৌকো সারাতে ৫ হাজার টাকা, কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত নৌকো মেরামতিতে ৫০০ টাকা এবং জাল কেনা বাবদ ২ হাজার ৬০০ টাকা সাহায্য করবে। আমফানের সময় ওঠা প্রবল দুর্নীতি যাতে ফের না হয় তার জন্য সবদিক থেকে কড়াভাবে ত্রান বিলির ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here