করোনা কেড়ে নিল যাদবপুরের অধ্যাপক এবং গরিবের ডাক্তার, বিধান রায়ের প্রাণ!

করোনা কেড়ে নিল যাদবপুরের অধ্যাপক এবং গরিবের ডাক্তার, বিধান রায়ের প্রাণ!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা কেড়ে নিল যাদবপুরের অধ্যাপক এবং গরিবের ডাক্তার, বিধান রায়ের প্রাণ! জোড়া দুঃসংবাদ বাংলার জন্যে। করোনা সংক্রমণে মারা গেলেন যাদবপুর বিশ্ব বিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক এবং এক চিকিৎসক। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ডিন তথা ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক শুভাশিস বিশ্বাস প্রয়াত হলেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। মৃত্যুকালে তার বয়েস হয়েছিল ৪৮ বছর। পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ কলকাতার মৃত্যু ছুঁল ১৫০০। দেখুন রাজ্যের জেলাভিত্তিক করোনা চিত্র।

করোনা কেড়ে নিল যাদবপুরের অধ্যাপকের প্রাণ। সূত্রের খবর শুভাশিস বাবু গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। মাঝেমধ্যেই জ্বর আসছিল তাঁর। জ্বরের সাথে করনার অন্যান্য উপসর্গ দেখাদিতে চিকিৎসকরা তাঁর সোয়াব টেস্ট করেন। রিপোর্ট এলে দেখা যায় তিনি করোনা পজিটিভ। তাকে ভর্তি করা হয় কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে। চিকিৎসকরা যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা হয়নি। মঙ্গলবার মাত্র ৪৮ বছর বয়েসেই প্রয়াত হলেন তিনি।

অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটির বাসিন্দা, ‘বিধান রায়’ নামে পরিচিত চিকিৎসক হিরন্ময় ভট্টাচার্য করোনায় প্রয়াত হয়েছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়েস হয়েছিল ৫৭ বছর। এই চিকিৎসক দুস্থ রোগীদের চিকিৎসায় ফি নিতেন মাত্র পাঁচ টাকা। সে জন্যেই এলাকাবাসী তাঁর নাম দিয়েছিলেন বিধান রায়। পাঁচ টাকার ডাক্তার হিসেবে নৈহাটির পাশাপাশি গোটা ব্যারাকপুর মহকুমায় পরিচিত ছিলেন তিনি।

সূত্রের খবর, তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত শনিবার রাতে কলকাতার বেলঘরিয়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন গরিবের এই ডাক্তার। কয়েকদিন ধরেই জ্বর ছিল তার। সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় পরপর দুবার হার্ট অ্যাট্যাক হওয়ার ধাক্কা সামলাতে পারেননি এই চিকিৎসক। মঙ্গলবার প্রয়াত হন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত এলাকাবাসী।

মূলত বক্ষবিশেষজ্ঞ হলেও সাধারণ ফিজিশিয়ান ও শিশু চিকিৎসাতেও তার সুনাম ছিল। লকডাউন হওয়ার পর কোভিডের ভয়ে যখন কেউ রোগী দেখেননি তখনও তিনি নিয়মিত চেম্বার করতেন। এই অতিমারির সময় একজন রোগীকেও ফিরিয়ে দেননি চিকিৎসক হিরন্ময় ভট্টাচার্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x