আগামী সপ্তাহেই আছড়ে পড়তে পারে ‘যশ’, বিপর্যয় মোকাবিলার প্রস্তুতি শুরু রাজ্যে

আগামী সপ্তাহেই আছড়ে পড়তে পারে 'যশ', বিপর্যয় মোকাবিলার প্রস্তুতি শুরু রাজ্যে
আগামী সপ্তাহেই আছড়ে পড়তে পারে 'যশ', বিপর্যয় মোকাবিলার প্রস্তুতি শুরু রাজ্যে

নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামী সপ্তাহেই আছড়ে পড়তে পারে ‘যশ’, তেমনটাই জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তরের রিপোর্ট। আর সেই কারণেই হাতে দিন থাকতে বিপর্যয় মোকাবিলা শুরু করে দিয়েছে রাজ্য। গতবছরের আমফানের দগদগে ঘা এখনো স্পষ্ট। ভাঙ্গা নদীর পাড় সারিয়ে সবে আবার স্বাভাবিক হচ্ছিলো সাগর পাড়ের মানুষের জীবন। তার মাঝেই ফের আশঙ্কার মেঘ জমছে দিকে দিকে।

আরও পড়ুনঃ কোভিড মুক্তির ৯০ দিন পর মিলবে টিকা, ধোঁয়াশা স্পষ্ট করে নির্দেশ কেন্দ্রের

তার মধ্যেই এই বছরেই দেশের পশ্চিম উপকূলে এই কদিন চললও তওকতে এর তান্ডব। একাধিক রাজ্য প্রবল ক্ষতির মুখে। তার মধ্যেই এবার ঝড়ের আশঙ্কা পুর্ব উপকূলে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর, আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর, আগামী ২২ তারিখ থেকে ধীরে ধীরে শক্তি বাড়াবে সাইক্লোন,  উত্তর আন্দামান সাগরের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবরয় ধীরে ধীরে শক্তি বাড়াবে।  হাওয়ার গতি থাকতে পারে ৫৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।   ২৫ তারিখ রাতে কিংবা ২৬ তারিখ বঙ্গ ও ওড়িশার উপকূলে আছড়ে পড়বে ‘যশ’, তখন তার গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের তরফে এই পূর্বাভাস পাওয়ার পরেই বিপর্যয় মোকাবিলায় কাজ শুরু করেছে রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দপ্তর। ইতিমধ্যেই  উপকূলের জেলা অর্থাৎ দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে। গতবারের  ত্রাণশিবিরগুলিকে ফের নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে বলেও খবর।

বিপর্যয় মোকাবিলায় দক্ষিন চব্বিশ পরগণার জেলাশাসকের নেতৃত্বে একটি বৈঠকও হয়েছে, সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ২৩ সে মের মধ্যে সমস্ত মাল্টিপারপাস সাইক্লোন সেন্টার তৈরি করে ফেলবে জেলাগুলি, ১৯ সে মের মধ্যে ত্রিপল, খাদ্য মজুত করে রাখতে হবে, আবহাওয়া দফতর থেকে ঝড়ের সতর্কতা জারি হলেই  ৬ ঘন্টার মধ্যে নীচু এলাকার সকলকে  নিয়ে আসতে হবে সাইক্লোন সেন্টারে। এবং সমগ্র কাজ করতে হবে কোভিদ বিধি মেনে। এখনো জানা যায়নি এই ঘুর্ণিঝড় আমফানের থেকেও বেশি প্রভাবশালি কিনা, তবুও বিপর্যয় মোকাবিলার্থে সমইয় থাকতেই তৈরি হচ্ছে জেলাগুলি।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here