কুস্তিগীর হত্যাকাণ্ডে অবশেষে পুলিশের জালে অলিম্পিক পদকজয়ী সুশীল কুমার।

কুস্তিগীর হত্যাকাণ্ডে অবশেষে পুলিশের জালে অলিম্পিক পদকজয়ী সুশীল কুমার।
কুস্তিগীর হত্যাকাণ্ডে অবশেষে পুলিশের জালে অলিম্পিক পদকজয়ী সুশীল কুমার।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কুস্তিগীর হত্যাকাণ্ডে অবশেষে পুলিশের জালে অলিম্পিক পদকজয়ী সুশীল কুমার। কুস্তিগীর সাগর রানাকে হত্যার দায়ে অবশেষে গ্রেফতার হলেন অলিম্পিক পদকজয়ী কুস্তিগীর সুশীল কুমার। ঘটনার পর থেকেই পলাতক তিনি। বহু তল্লাশির পর অবশেষে তাঁর নাগাল পেল দিল্লী পুলিশ। সূত্রের খবর তাঁর সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর সঙ্গী অজয় কুমারকেও। আপাতত তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লীতে নিয়ে আসা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ দলবদলু নেতারা ফিরতে চাইছেন তৃণমূলে! ভাইরাল দেবাংশুর স্বীকারোক্তি ফর্ম

প্রসঙ্গত দিল্লী পুলিশ সুশীলের সন্ধানে আর্থিক পুরস্কারের কথা ঘোষণার পর দিনদু’য়েক আগে মেরঠের একটি টোলপ্লাজায় সুশীলকে দেখা গিয়েছিল। শনিবার সকালে জানা যায়, দিল্লি পুলিশ পঞ্জাবের ভাটিন্ডায় সুশীলের অবস্থান ট্র্যাক করা গিয়েছে। এরপরেই তাঁর খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে ধরা পরে যান তিনি। এদিকে লুকআউট নোটিশ , জামিন অযোগ্য ধারায় ওয়ারেন্টের পর গত সোমবার পলাতক সুশীল কুমারকে খুঁজে দিলে বিনিময়ে এক লক্ষ টাকা পুরস্কারমূল্য ঘোষণা করে দিল্লী পুলিশ। গত ৪মে রাতে সুশীল, অজয়, প্রিন্স, সনু, সাগর, অমিত এবং আরও কয়েকজন কুস্তিগীরের মধ্যে দিল্লির ছত্রাসাল স্টেডিয়ামের পার্কিং এরিয়ায় ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়।

সেখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। হাতাহাতিতে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয় এক তরুণ কুস্তিগীর সাগর রানার। ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ সুশীলের বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ-সহ একাধিক ধারায় এফআইআর দায়ের করে। দিল্লির রোহিনী কোর্ট প্রাথমিকভাবে অলিম্পিকে জোড়া পদকজয়ীর নামে জামিন অযোগ্য ধারায় ওয়ারেন্ট জারি করেছিল। ৪ মে ঘটনার পর থেকে পলাতক সুশীলের খোঁজে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

কুস্তিগীর হত্যাকাণ্ডে অবশেষে পুলিশের জালে অলিম্পিক পদকজয়ী সুশীল কুমার। তবে সুশীল হরিদ্বার পালিয়ে যান। সেখানে এক আশ্রমে কিছুদিন গা ঢাকা দেওয়ার পরেই হরিয়ানার বিভিন্ন জায়গায় গা ঢাকা দিতে থাকে সুশীল। তবে শেষরক্ষা হল না। অবশেষে ধরা পরে গেলেন পুলিশের জালে। তবে দুবারের পদকজয়ীর নাম খুনের মামলায় জড়ানোয় কার্যতই শোকস্তব্ধ ক্রীড়াহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here