করোনা আক্রান্ত সিপিআইএম নেতা তথা চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম।

করোনা আক্রান্ত সিপিআইএম নেতা তথা চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা আক্রান্ত সিপিআইএম নেতা তথা চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম। গুরুতরভাবে অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বেশ কয়েকদিন ধরেই তার শরীরে নানা রকম উপসর্গ দেখা দেয়। ক্রমে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ফুয়াদ হালিমকে বেলভিউ নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই করোনা দাপট বাড়িয়েছে রাজ্যে। প্রায় প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ। এই অবস্থায় কোভিড যোদ্ধা তথা চিকিৎসক দের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে উদ্বেগ বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত হলেন শতাব্দী রায়ের বাবা, যথেষ্ট উদ্বেগে রয়েছে সাংসদ অভিনেত্রী।

বুধবার ফুয়াদ হালিমের স্ত্রী সাইরা হালিম ট্যুইট করে এই খবর প্রকাশ্যে আনেন।করোনা কালে কোন কিছুর পরোয়া না করে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন তিনি। প্রয়াত স্পিকার হাসিম আব্দুল হালিমের পুত্র ফুয়াদ হালিম করোনার সংকটের মধ্যে তাঁর তৈরি ‘কলকাতা স্বাস্থ্য সংকল্প’-এ দুঃস্থ মানুষদের জন্য মাত্র ৫০ টাকায় ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা করেছিলেন। বেশিরভাগ ডায়ালিসিস কেন্দ্র যখন বন্ধ ছিল, তখন মাত্র ৫০ টাকায় গত ২৬ শে মার্চ থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত তাঁর হাসপাতালে ২,৩৫৭ জনের ডায়ালিসিস করা হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ সুস্থ প্রায় ৬৭% আক্রান্ত! একদিনে সংক্রমণ কমল রাজ্যের ১৩ টি জেলায়।

করোনা আক্রান্ত সিপিআইএম নেতা তথা চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম। আর এবার ফুয়াদ নিজেই করোনা আক্রান্ত হলেন।ফুয়াদ হালিমের স্ত্রী সায়রা শাহ হালিম বুধবার একটি ট্যুইট করে বলেন, ‘কোভিডের প্রথম সারির একজন যোদ্ধা হয়ে মহামারীর সময় অসংখ্য অভাবী, দরিদ্র এবং অসুস্থ মানুষের চিকিত্‍সা করেছে আমার স্বামী। বর্তমানে ফুয়াদ হালিম বেলভিউয়ের আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন।দুবার করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও, চিকিত্‍সকরা সন্দেহ করছেন সার্স বা কোভিড নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত তিনি। মানসিক পরিস্থিতিতে সকলের কাছে অনুরোধ, আপনারা দয়া করে ওনার জন্য প্রার্থনা করুন।’

অন্যদিকে, গতকাল রাজ্যের বুলেটিন অনুযায়ী আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ১৩৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ হাজার ১০৫ জন। যাঁদের নিয়ে রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪২ হাজার ২২ জন। এখন পর্যন্ত রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৬.৭৪ শতাংশ করোনা আক্রান্ত। এই হার বেড়ে যাওয়ার পেছনে ভূমিকা নিয়েছে রাজ্যের ১৩ টি জেলা। এদিন এক ধাক্কায় চিকিৎসাধীন আক্রান্ত কমেছে রাজ্যের ১৩ টি জেলায়।

সুস্থ প্রায় ৬৭% আক্রান্ত! একদিনে সংক্রমণ কমল রাজ্যের ১৩ টি জেলায়। রাজ্যের এই ১৩ টি জেলা হল দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, দক্ষিন দিনাজপুর, মালদা, নদীয়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, এবং দক্ষিন ২৪ পরগণা। পাশাপাশি কলকাতাতে এদিন চিকিৎসাধীন আক্রান্তের সংখ্যা গতকালের থেকে না কমলেও বাড়েনি এদিন। অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম করোনা মুক্ত জেলার শিরোপা দখল করেছে দশদিন আগেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *