প্রতীক্ষার প্রহর পেরিয়েছে ৩০০ দিন, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পালনের অপেক্ষা হবু শিক্ষকদের।

প্রতীক্ষার প্রহর পেরিয়েছে ৩০০ দিন, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পালনের অপেক্ষা হবু শিক্ষকদের।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রতীক্ষার পর প্রতীক্ষা। প্রতীক্ষার প্রদীপ জ্বলছে ৩০০ দিনের ওপর৷ মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরেও মেলেনি চাকরি৷ অপেক্ষারত হবু শিক্ষকদের আন্দোলন ৩০৬ দিনে পড়ল। আন্দোলনরত হবু শিক্ষকদের বক্তব্য, ২০১৯ সালে প্রেস ক্লাবের সামনে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুর্নীতি সম্পর্কে অবগত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা দিয়েছিলেন মেধাতালিকাভুক্ত সকল প্রার্থীর চাকরি তিনি সুনিশ্চিত করবেন। তাঁর ওপর ভরসা রাখতে। তিনি কথা দিলে কথা রাখেন।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের নয়া উদ্যোগ, একটা ফোনেই উত্তর, ইন্টারনেট ছাড়াই এবার পড়তে পারবে পড়ুয়ারা

তাহলে কেন শিক্ষক নিয়োগের মেধাতালিকায় উত্তীর্ণ হয়েও, এমনকি প্রথম দফায় ডাক পেয়েও ৩০৬ দিন এরও বেশী সময় ধরে শীত,ঝড়, মহামারীর প্রচণ্ডতাকে উপেক্ষা করে অনশন ও অবস্থান বিক্ষোভ করতে হবে?একইসঙ্গে তাঁদের প্রশ্ন, কেন তাঁদের বিকাশ ভবন, আচার্য সদন, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে পুলিশের অত্যাচার সহ্য করেও ন্যায্য চাকরী চাইতে গিয়ে লাঞ্ছনার শিকার হতে হবে?

মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির কারণে বঞ্চিত সকল মেধাতালিকাভুক্ত চাকরী প্রার্থীর চাকরি সুনিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও কেন পুজোর মরশুমগুলো তাঁদের রাস্তায় কাটাতে হয়? কেন আত্মঘাতী হয় মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থী? কেন কৃষক মেহেনতি মজদুর সমাজের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষায় পাশ করেও দুর্নীতির শিকার হয়ে বঞ্চিত থেকে যায়? কেন দুর্নীতির বলি হতে হয় শিক্ষিত মেধার?

প্রতীক্ষার প্রহর পেরিয়েছে ৩০০ দিন, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পালনের অপেক্ষা হবু শিক্ষকদের।

প্রতীক্ষার প্রহর পেরিয়েছে ৩০০ দিন, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পালনের অপেক্ষা হবু শিক্ষকদের।
প্রতীক্ষার প্রহর পেরিয়েছে ৩০০ দিন, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পালনের অপেক্ষা হবু শিক্ষকদের।

হবু শিক্ষকদের বক্তব্য, আজ স্কুলগুলো শিক্ষকের অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এদিকে মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থীরা রাস্তায় বসে আছে তাদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে। তাঁদের প্রশ্ন, স্কুল সার্ভিস কমিশন আজ আইন দেখাচ্ছে তারা কোন আইনে নিজের গেজেটকে লঙ্ঘন করে নম্বর প্রকাশ না করে মেধাতালিকা প্রকাশ করে? কোন আইনে নিজের গেজেটে উল্লেখিত ১:১.৪ নিয়ম না মেনে নিয়োগ করে? কোন আইনে মেধাতালিকায় পেছনের সারিতে থাকা প্রার্থীকে আগে নিয়োগ দেয়? কোন আইনে এসএমএসে অবৈধ নিয়োগ দেয় গেজেট কে লঙ্ঘন করে? কোন আইনে অকৃতকার্য প্রার্থীরা চাকরি পায় আর কোন আইনে মেধাতালিকাভুক্ত প্রথম দফায় ডাক পেয়েও বঞ্চনার শিকার হয়?

বঞ্চিত মেধাতালিকাভুক্তরা আরও জানিয়েছেন, স্কুল সার্ভিস কমিশন নিজের গেজেটকে মান্যতা দিয়েই রেশিও মেনে ১:১.৪ অনুপাতে নিয়োগ করে আইনি পথে মেধাতালিকাভুক্ত সকলের চাকরী সুনিশ্চিত করুক।তবেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির যথাযথ বাস্তবায়ণ হবে। তাঁদের আশা, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ণ করে মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থীদের প্রতি সুবিচার করবেন। পাশাপাশি নিয়োগের মাধ্যমে স্কুলগুলিতে শিক্ষক সঙ্কট এর সামাধান করবেন।