Agartala: আগরতলায় পুলিশ কর্মীকে ছুরির আঘাত, উপনির্বাচনেও রক্তাক্ত ত্রিপুরা

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সকাল থেকে উপনির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত গোটা ত্রিপুরা। বৃহস্পতিবার আগরতলায় পুলিশ কর্মীকে ছুরির আঘাত করার অভিযোগ উঠল। অন্যদিকে, ভোট কারচুপি রেকর্ড করার চেষ্টা করার জন্য বড়দোয়ালী নির্বাচনী এলাকায় এক সাংবাদিককে মারধরে অভিযোগ উঠল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুনঃ Weather Updates: বর্ষার মধ্যেই শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা সহ জেলায়, সঙ্গে রইল কড়া সর্তকতাও

পুলিশ কর্মী সমীর সাহা জানিয়েছেন, আমি আমার পরিবারের সঙ্গে ভোট দিতে যাচ্ছিলাম। বিজেপির গুন্ডারা আমাকে ভোটকেন্দ্রের দিকে যেতে বাধা দেয়। তাঁদের বক্তব্য, আমাকে ভোট দিতে হবে না এবং পরিবর্তে বাড়ি ফিরে যেতে হবে। যখন আমি এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি, তখন প্রথমে আমার ওপর হামলা হয়। সেখান থেকেই বচসা। পরে আমার পেটে ছুরি মারা হয়। গুন্ডারা আমার ভাগ্নে এবং স্ত্রীকেও আক্রমণ করার চেষ্টা করেছিল। আমি নিশ্চিত যে বিজেপি কর্মীরা এর জন্য দায়ী। তারা গত রাত থেকে হিংসায় লিপ্ত হয়েছ। এই মুহুর্তে আগরতলার একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি।

আগরতলায় পুলিশ কর্মীকে ছুরির আঘাত, উত্তপ্ত ত্রিপুরা 
আগরতলায় পুলিশ কর্মীকে ছুরির আঘাত, উত্তপ্ত ত্রিপুরা

অন্যদিকে সকাল থেকেই, চারটি নির্বাচনী কেন্দ্র জুড়ে একাধিক জায়গায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। টাউন বড়দোয়ালীর, নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনে বুথ নং ৫৩-তে যাওয়ার পথে স্থানীয় জয়দীপ পাল এবং তার বাবাকে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা নির্মমভাবে মারধর করে। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে।

আক্রান্ত ভোটার জয়দীপ পাল জানিয়েছেন, “গুন্ডারা বলেছিল আমরা ভোট দিতে যেতে পারব না। যখন আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন আমরা যেতে পারলাম না এবং তাদের হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলাম, তারা আমাদের মারধর শুরু করে।”ওই ব্যক্তির বাবাকেও মারধরের অভিযোগ ওঠে। গুরুতর আহত হন দুই জন।  স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার কেন্দ্রে এই বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে।

আগরতলায় পুলিশ কর্মীকে ছুরির আঘাত, উত্তপ্ত ত্রিপুরা 

আগরতলায় পুলিশ কর্মীকে ছুরির আঘাত, উত্তপ্ত ত্রিপুরা 
আগরতলায় পুলিশ কর্মীকে ছুরির আঘাত, উত্তপ্ত ত্রিপুরা

সাংবাদিক শুভম দেবনাথ টাউন বড়দোয়ালীর একটি ভোটকেন্দ্রের কাছে নির্মমভাবে লাঞ্ছিত হন কারণ তিনি বিজেপি কর্মীদের ভোট কারচুপির বিষয়টি ধরার চেষ্টা করেন। শুভম দেবনাথ বলেন, “গুন্ডারা লোকজনকে ভোট দিতে দিচ্ছিল না। যখন আমি ক্যামেরায় সেটি ধরার করার চেষ্টা করি, তখনই আমার ওপর প্রায় ২০-৩০ জন লোক হামলা চালায়। এটি আতঙ্কজনক মুহূর্ত ছিল। তারা আমার ফোন, প্রেস কার্ড ছিনিয়ে নেয় এবং আমার মোটরসাইকেল ভেঙে দেয়।”