Mamata Banerjee : কাশফুল ও হাঁসের পালক নিয়ে শিল্পের নয়া ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর

কাশফুল ও হাঁসের পালক নিয়ে শিল্পের নয়া ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ হাওড়ায় জেলা প্রশাসনিক বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বিভিন্ন এলাকার কর্তব্যরতদের সঙ্গে আলোচনায় বসে সেখানকার মানুষদের সুযোগসুবিধা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই এবার উঠে আসে নয়া শিল্পের ভাবনা। যা “দুয়ারে হাঁসের পালক” হিসেবে নামকরন করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ টাকা-নারী বঙ্গ বিজেপির অবলুপ্তির কারণ? বিস্ফোরক তথাগত

আজ প্রশাসনিক বৈঠক চলাকালীন উলুবেড়িয়া শাখা থেকে বিশেষ শিল্পায়নের ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন সেখানকার প্রতিনিধিরা। যা শোনা মাত্রই অগ্রাধিকার দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানাগিয়েছে, গোটা দেশের মধ্যে বর্তমানে হাতেগোনা কয়েকটি অঞ্চলেই তৈরি হয় শার্টেল কর্ক। তাছাড়া এই সমস্ত ক্ষেত্রে দেশবাসী কে ভরসা রাখতে হয় চিনের উপরে। তাই এই দ্রব্য গুলিকে সহজলভ্য করে তোলার জন্য নয়া কারখানা চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

যারফলে, এই কোভিড পরিস্থিতি তে বেকারত্ব কাটিয়ে কাজের সন্ধান পাবে বহু মানুষ। তা শোনা মাত্রই খুশির ঝিলিক দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীর মুখে। সেজন্য এই পরিকল্পনার বিষয়ে বিশদে জানতে চান তিনি। সেইমত প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে বীরভূমের কুসুম্বা, সহ আরও কয়েকটি স্থানে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।

কাশফুল ও হাঁসের পালক নিয়ে শিল্পের নয়া ভাবনা মুখ্যমন্ত্রী, দুয়ারে হাঁসের পালক 

কাশফুল ও হাঁসের পালক নিয়ে শিল্পের নয়া ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর
কাশফুল ও হাঁসের পালক নিয়ে শিল্পের নয়া ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর

পাশাপাশি কল্যাণীর বেশ কয়েকটি ফার্মের সঙ্গে টাইআপ করার পরিকল্পনা ও দেখা গিয়েছে। তবে শুধু হাঁসের পালক ই নয় বাঙালির শারদ আগমনী তথা কাশফুল কে ঘিরেও একাধিক ভাবনা সকলের সামনে তুলে ধরেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুজোর সময় ছাড়া কাশফুল কে খুব একটা ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকে না। কিন্তু এই কাশফুল কে সঠিক উপায়ে ব্যবহার করা হলে নরম বালিশ ও বালাপোশের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও তৈরি করা সম্ভব হবে। যা শোনা মাত্রই বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানান প্রতিনিধিরা।

কাশফুল ও হাঁসের পালক নিয়ে শিল্পের নয়া ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর
কাশফুল ও হাঁসের পালক নিয়ে শিল্পের নয়া ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর