শুনানির ঠিক আগে গৃহবন্দী থাকার অনুমতি চেয়ে আবেদন জেলবন্দি ছত্রধর।

শুনানির ঠিক আগে গৃহবন্দী থাকার অনুমতি চেয়ে আবেদন জেলবন্দি ছত্রধর।
শুনানির ঠিক আগে গৃহবন্দী থাকার অনুমতি চেয়ে আবেদন জেলবন্দি ছত্রধর।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুনানির ঠিক আগে গৃহবন্দী থাকার অনুমতি চেয়ে আবেদন জেলবন্দি ছত্রধর। গত ২৮ শে মার্চ থেকে জেলবন্দি একদা জনগনের কমিটির দাপুটে নেতা তথা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্য কমিটির সদস্য ছত্রধর মাহাতো। রাজধানী এক্সপ্রেস পনবন্দি মামলায় তাঁকে ফের গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA। আগামী শনিবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা কিন্তু তার আগেই গৃহবন্দি থাকার আবেদন জানালেন ছত্রধর।

আরও পড়ুনঃ ত্রান থেকে টীকা, খরচ সামলাতে রাজ্যের বকেয়া চেয়ে অমিতের চিঠি সীতারামনকে।

জানা গিয়েছে, নিজের আইনজীবী মারফত এই আবেদন জানিয়েছেন তিনি। জঙ্গলমহলের নেতার আবেদন নিয়ে শুক্রবার আদালতের দ্বারস্থ হন তার আইনজীবী। দাবি করেন যে তার মক্কেলকে যেন গৃহবন্দি করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। মূলত করোনাভাইরাস পরিস্থিতি এবং উচ্চতর শারীরিক অবস্থার দিকে নজর দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। সোমবার এই মামলার শুনানিতে আদতে তাকে গৃহবন্দি রাখা হয় কিনা সে ব্যাপারে স্পষ্ট জানা যাবে। প্রসঙ্গত ২০০৯ সালে দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন কাঁটাপাহাড়ি বিস্ফোরণ মামলায় ছত্রধর মাহাতােকে গ্রেফতার করেছিল তৎকালীন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রশাসন। তার ঠিক দিন কুড়ি পরেই ঝাড়গ্রামে পণবন্দি হয় রাজধানী এক্সপ্রেস। সেই মামলায় ছত্রধরের নাম জড়ায়।

অভিযােগ, জেলে বসেই রাজধানী এক্সপ্রেসকে পণবন্দি করার রূপ্রিন্ট ছকেছিলেন জঙ্গলমহলের এই আদিবাসী নেতা। ২০১৮ সালে সেই মামলায় জেল থেকে মুক্তি পেলেও পুরােপুরি বন্দিদশা ঘােচেনি ছত্রধরের। ঘাটশিলার একটি মামলায় আটকে ছিলেন তিনি। এর পরে কাককাতালীয় ভাবে ঝাড়খণ্ডে বিজেপি সরকারের পতন হতেই ঘাটশিলার মামলা থেকে মুক্তি পেয়ে যান ছত্রধর। তারপর তাঁকে গত বছর জুলাই মাসে রাজ্য কমিটির সদস্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এও বলেন, ছত্রধর মাওবাদী ছিল না। ও অরিজিনাল তৃণমূল।

শুনানির ঠিক আগে গৃহবন্দী থাকার অনুমতি চেয়ে আবেদন জেলবন্দি ছত্রধর। ওকে ফাঁসানাে হয়েছিল। জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে পুরোদমে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাজ করছিলেন ছত্রধর মাহাতো। জঙ্গলমহলে আবার নিজের দাপট দেখাতে শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু রাজ্যের প্রথম দফা বিধানসভা নির্বাচনের পরেই তাঁকে ফের একবার গ্রেফতার করে নেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ঝাড়গ্রামে রাজধানী এক্সপ্রেস হাইজ্যাক মামলায় গ্রেফতার করে তাঁকে আবার জেলে পাঠানো হয়। আপাতত তিনি জেল হেফাজতে রয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here