বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ভ্যাকসিন বিক্রি নিয়ে এবার নয়া সাফাই কেন্দ্রের।

বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ভ্যাকসিন বিক্রি নিয়ে এবার নয়া সাফাই কেন্দ্রের।
বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ভ্যাকসিন বিক্রি নিয়ে এবার নয়া সাফাই কেন্দ্রের।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ভ্যাকসিন বিক্রি নিয়ে এবার নয়া সাফাই কেন্দ্রের। দেশে ভ্যাকসিনের চরম আকাল। দেশের সমস্ত প্রান্তে ভ্যাকসিনের অভাবে বন্ধ করতে দিতে হচ্ছে একগুচ্ছ ভ্যাকসিন প্রদান কেন্দ্র। এরই মধ্যে মে মাসের দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলির জন্য বরাদ্দ করোনা ভ্যাকসিনের প্রায় ৫০ শতাংশ দিয়ে দেওয়া হয়েছে দেশের নয়টি বড় হাসপাতাল গোষ্ঠীকে! এমন তত্য সামনে আসতেই চরম সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে কেন্দ্রকে। প্রসঙ্গত কিছুদিন আগেই ভ্যাকসিন নীতি নিয়ে শীর্ষ আদালতের চরম তিরস্কারের মুখে পড়তে হয়েছিল কেন্দ্রকে।

আরও পড়ুনঃ চোখ কপালে বিজেপির, রুদ্র-পায়েল-শ্রাবন্তীর ভোটে লড়তে খরচ ৪ কোটি টাকা।

তারই মধ্যে এই নয়া তথ্য নিয়ে বিতর্ক সামাল দিতে এবার আসরে নামলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন। জানালেন  সরকারি টিকাদান কেন্দ্রগুলির চাপ কমাতেই বেসরকারি সংস্থাকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করছেন, টিকা বণ্টনের ক্ষেত্রে বৈষম্যের অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কিছুদিন আগেই ভ্যাকসিন নীতির তীব্র সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্ট জানায় ৪৫ বছরের উর্ধ্বে যাদের টিকাকরণ হচ্ছে তাদের বিনামূল্যে হচ্ছে, এদিকে ১৮-৪৪ বছর বয়সী মানুষদের টিকাকরণ করতে টাকা দিতে হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার কেন এমন নীতি নিয়েছে সেই বিষয়ে প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। একে খামখেয়ালি এবং যুক্তিহীন সিদ্ধান্ত বলে আদালত জানায় গোটা দেশে একাধিক গ্রামে এবং শহরের বিভিন্ন অংশে টিকাকরণের খামতি রয়েছে তার সব থেকে বড় কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের অবাস্তব টিকা নীতি।

যদিও পাল্টা যুক্তি দিয়ে কেন্দ্র জানায় বেসরকারি ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ টিকা গেলে দেশবাসীর টিকাকরণের সম্ভাবনা আরও বাড়বে। এর ফলে সরকারি ক্ষেত্রে টিকাকরণের উপর চাপ যেমন কমবে। নিয়ম মেনেই দেশের বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত মে মাসের মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ ১.২০ কোটি ডোজের মধ্যে ৬০.৫৭ লক্ষ ডোজই কিনে ফেলেছে দেশের ৯টি নামকরা হাসপাতাল গোষ্ঠী।

বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ভ্যাকসিন বিক্রি নিয়ে এবার নয়া সাফাই কেন্দ্রের। সবচেয়ে বেশি কিনেছে অ্যাপোলো হসপিটালস্‌ (১৬.১ লক্ষ), তার পরেই রয়েছে ম্যাক্স হেলথকেয়ার (১২.৯৭ লক্ষ), রিলায়্যান্স ফাউন্ডেশন পরিচালিত এইচএন হসপিটাল ট্রাস্ট (৯.৮৯ লক্ষ)। এছাড়া মেডিকা হসপিটালস্‌, ফর্টিস হেলথকেয়ার, গোদরেজ, মণিপাল হেলথ, নারায়ণা এবং টেকনো ইন্ডিয়া গোষ্ঠী রয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই বিতর্কের ঝড় ওঠে দেশ জুড়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here