নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার রাজ্যে বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বাজেট নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কিন্তু এই বাজেট কতটা জনমুখী? সাধারণ মানুষ এর ফলে করটা উপকৃত হবেন? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ডিএ বিতর্ক ছাড়াও আর কী কী রইল বাজেটে?

আরও পড়ুনঃ ৬০ এর বেশি মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে মাসে পাবেন ১ হাজার টাকা, ঘোষণা বাজেটে

কিন্তু একাধিক বিষয়ে বিরাট ছাড় দিল রাজ্য সরকার। যেখানের চাষের জলের ওপর কর পুরোপুরি মুকুব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এর ফলে কৃষকরা উপকৃত হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। একইসঙ্গে এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের কৃষকেরা উপকৃত হবেন। বিশেষ করে যারা দামোদর, তিস্তা, কংসাবতীর মতো সেচ প্রকল্পের জল চাষের কাজে ব্যবহার করে থাকেন।

বাজেট কতটা জনমুখী? এক নজরে দেখে নিন... 
বাজেট কতটা জনমুখী? এক নজরে দেখে নিন… 

একইসঙ্গে জমি ও বাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প ডিউটিতে চালু সুবিধা আরও ছয়মাস বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকাড়। বাড়ি-ঘর বিক্রির ক্ষেত্রে আর্থিক সুবিধা দিতে আগেই রাজ্য সরকার স্ট্যাম্প ডিউটির উপর দুই শতাংশ ছাড় এবং জমির বাজারমূল্যের উপর ১০ শতাংশ ছাড় দিয়েছিল। সেই সুবিধা চলতি আর্থিক বছরের মার্চ পর্যন্ত বহাল ছিল। অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কথায় সেই সুবিধে আরও ছয় মাস বাড়িয়ে দেওয়া হল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সুবিধার ফলে জমি-বাড়ি কেনায় অনেকটা অর্থ সাশ্রয় হবে আম জনতার।

এছাড়াও বিধায়কদের এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প কর্মসূচিতে এলাকা উন্নয়নের খাতে বাৎসরিক ৬০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ টাকা করা হবে আগামী অর্থবর্ষ থেকে। এই খাতে বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে ৩০ কোটি টাকা।  রাস্তাশ্রী প্রকল্পের জন্য তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ। এতে নতুন নতুন রাস্তা তৈরি হবে, পুরনো রাস্তার সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।

বাজেট কতটা জনমুখী? এক নজরে দেখে নিন… 

বাজেট কতটা জনমুখী? এক নজরে দেখে নিন... 
বাজেট কতটা জনমুখী? এক নজরে দেখে নিন… 

যুব সমাজের জন্য ভবিষ্যত ক্রেডিট কার্ড শুরু হতে চলেছে। ১৮-৪৫ বছর বয়সী ২ লক্ষ যুবক-যুবতী এর সুবিধে পাবে। এই আর্থিক সহায়তা বাবদ সর্বাধিক ৫ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন। এর ফলে রাজ্যজুড়ে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বিরাট ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্যের তরফে। এদিন অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলার ১.৮৮ কোটি মহিলা এসেছেন লক্ষ্মীর ভান্ডারের আওতায়। লক্ষ্মীর ভান্ডারের প্রাপকরা ৬০ বছর অতিক্রম করলে সরাসরি বার্ধক্যভাতার আওতায় চলে আসবেন। অর্থাৎ, ৬০ বছর পার করলেই ১০০০ টাকা করে পাবেন।