ভাঙন ঠেকালেন সেই বিমান, দ্বন্দের অবসান ঘটিয়ে বামফ্রন্টেই থাকছে ফরওয়ার্ড ব্লক।

ভাঙন ঠেকালেন সেই বিমান, দ্বন্দের অবসান ঘটিয়ে বামফ্রন্টেই থাকছে ফরওয়ার্ড ব্লক।
ভাঙন ঠেকালেন সেই বিমান, দ্বন্দের অবসান ঘটিয়ে বামফ্রন্টেই থাকছে ফরওয়ার্ড ব্লক।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভাঙন ঠেকালেন সেই বিমান, দ্বন্দের অবসান ঘটিয়ে বামফ্রন্টেই থাকছে ফরওয়ার্ড ব্লক। ত্রিশঙ্কু জোট নিয়ে সিপিএমের একার নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে আগেই ক্ষোভ ছিল। ভোটের ফলে জোট ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যাওয়ার পর সেই ক্ষোভ মারাত্মক আকার ধারণ করে। তখন থেকেই বামফ্রন্ট ভাঙার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল অন্যতম শরীক ফরওয়ার্ড ব্লক। সেই সময় তরিঘরি বৈঠক বসিয়ে সাময়িকভাবে বিক্ষোভে মলম দেন বিমান বসু।

আরও পড়ুনঃ ‘আর অপেক্ষা করতে পারছি না’, মুকুলের ফেরার পরেই কাতর হয়ে আবেদন সোনালীর।

তবে ক্ষোভ বাড়তে থাকায় মনে করা হচ্ছিল তিনি বোধহয় আর শেষরক্ষা করতে পারলেন না। তবে শরিকি দ্বন্দ সামলে ফাইনালে ম্যান অফ দা ম্যাচ সেই বিমান বসু। অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও, শত দ্বন্দ্বে বিদীর্ণ হওয়ার পরেও বাংলায় বামফ্রন্ট ভাঙেনি। কিন্তু একুশের ভোটে ভরাডুবির পর সেই সম্ভাবনা তৈরি করেছিল হেমন্ত বসু ভবনের বিদ্রোহ। তবে শেষমেশ বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান কার্যত একাই সামলালেন পরিস্থিতি। দুপুরে ফরওয়ার্ড ব্লক রাজ্য দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নরেন চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, ফরওয়ার্ড ব্লক বামফ্রন্ট চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছিল। সেই চিঠির ভিত্তিতে বিমানবাবুর সঙ্গে এবং সিপিএমের সঙ্গে দু’বার দ্বিপাক্ষিক আলোচনা তাঁদের হয়েছে।

তারপর এই সিদ্ধান্তে তাঁরা উপনীত হয়েছেন, ফ্রন্টেই থাকছেন। বামফ্রন্ট ভাঙার কোনও ইচ্ছে তাঁদের নেই। এ ব্যাপারে বারবার বিমান বসুর ইতিবাচক ভূমিকার কথা বলেছেন নরেনবাবু। তবে ফরওয়ার্ডব্লক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বামফ্রন্টের দু’দিকে দুটো ক্র্যাচকে মানুষ ভাল ভাবে নিচ্ছে না। কোন দুটি ক্র্যাচ? কংগ্রেস এবং আইএসএফ-কে জোড়া ক্র্যাচ বলে উল্লেখ করেছেন নরেন। তাঁর কথায়, মানুষের রায়েই স্পষ্ট তাঁরা নির্বাচন থেকে গণসংগ্রাম—সব জায়গাতেই বামফ্রন্টকে দেখতে চান। বামফ্রন্টই আসল জোট। বাকি সব নকল।

ভাঙন ঠেকালেন সেই বিমান, দ্বন্দের অবসান ঘটিয়ে বামফ্রন্টেই থাকছে ফরওয়ার্ড ব্লক। নরেনবাবু এও বলেন, ষোলর আগে যেমন কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়ে তাঁদের অন্ধকারে রাখা হয়েছিল, একুশের ভোটেও আইএসএফের সঙ্গে জোট নিয়ে তাঁরা কিছু জানতে পারেননি। তাই চরম ক্ষোভে বামফ্রন্ট ছাড়ার কথা ভেবেছিলেন তারা। তবে সবকিছু ঠিকঠাক করে শেষ হাসি হাসলেন বিমান বাবু ও বামফ্রন্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here