আজ ও আগামী কাল আসতে পারে বান! সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে প্রায় ১ কোটি মানুষ খতিগ্রস্থ, নবান্নে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
রাজ্যে প্রায় ১ কোটি মানুষ খতিগ্রস্থ, নবান্নে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  অবশেষে শেষ হল সুপার সাইক্লোন ইয়াসের ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া। ওড়িশার বালাসোর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে স্থলভাগে আছড়ে পড়ে এই প্রবল ঘূর্ণিঝড়। এদিকে ইয়াসের ফলে রাজ্যে সবথেকে বেশি প্রভাবিত হয়েছে দক্ষিন ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর।

আরও পড়ুনঃ ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে এবার মহামারি ঘোষনা করে দিল রাজ্য, জারি নয়া নিয়মাবলী।

নদীবাঁধ ভেঙ্গে উপকূলবর্তী গ্রামগুলিতে হু হু করে ঢুকেছে জল। বেশ কিছু জায়গায় বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ভরা কোটাল ও ইয়াসের জোড়া ফলার জেরে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সাক্ষী থাকল উপকূলবর্তী এলাকার মানুষ। এদিকে ধীরে ধীরে উত্তর পশ্চিমের দিকে এগিয়ে বাংলাদেশের দিকে এগোচ্ছে ইয়াস। শক্তি কমলেও আপাতত উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সর্বাধিক ৯০ কিলোমিটার গতিবেগে চলবে ঘূর্ণিঝড়।

যা চলবে বিকেল পর্যন্ত। এরই মধ্যে আজ দুপুরে নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘আজ রাত ৮টা ৩৫ মিনিট নাগাদ আবার বান আসতে পারে। তাই ত্রাণ শিবিরে যাঁরা আছেন তাঁরা এখনই বাড়ি ফিরবন না। রাজ্যে ১৩৪টি নদীবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঝড়-বৃষ্টিতে। বৃহস্পতিবার আরও বড় বান আসতে পারে সমুদ্রে। কালও বৃষ্টি হতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী পর্যায়ের প্রভাবকে অবহেলা করা যাবে না।

জল বাড়তে পারে। বিদ্যুত্‍স্পৃষ্ট হয়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা এড়াতে বিদ্যুত্‍ পরিষেবা বন্ধ রাখাও হয়েছে। এ ব্যাপারে আমার সরকারি এবং বেসরকারি বিদ্যুত্‍ সংস্থাগুলির সঙ্গে কথা বলেছি। আমি সাধারণ মানুষকেও অনুরোধ করব বিদ্যুত্‍ বন্ধ রাখার। বাঁধ মেরামতিতে কেন্দ্র সাহায্য করে না। তাই বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করছে রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গে সেচ দফতরকেও সব জলাধারে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছি।’

এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, আগামীকাল সকালে বান আসার সম্ভাবনাও রয়েছে । তাঁর কথায়, ‘জল এমনিতেই বেড়েছে। তার উপর যদি আরও ৫ মিটার বাড়ে তবে সেটা সাংঘাতিক হবে।’ অবশ্য ভয় না পেয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার উপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, ‘যাঁরা নদী বা সমুদ্রের পাশে থাকেন তাঁরা সতর্ক হোন।’ আজ রাতে ৮.৪৫ নাগাদ বান আসার কথা। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলকাতা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছি।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here