সম্পাদক হিসেবে নতুন ইনিংস শুরুর আগেই আশীর্বাদ নিতে পার্থর বাড়ি ছুটলেন অভিষেক।

সম্পাদক হিসেবে নতুন ইনিংস শুরুর আগেই আশীর্বাদ নিতে পার্থর বাড়ি ছুটলেন অভিষেক।
সম্পাদক হিসেবে নতুন ইনিংস শুরুর আগেই আশীর্বাদ নিতে পার্থর বাড়ি ছুটলেন অভিষেক।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সম্পাদক হিসেবে নতুন ইনিংস শুরুর আগেই আশীর্বাদ নিতে পার্থর বাড়ি ছুটলেন অভিষেক। ক্ষমতায় ফেরার পর গতকাল প্রথম সাংগঠনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের আগেই জানা যাচ্ছিল এবারে সংগঠনে একাধিক বড়সড় রদবদল করতে পারেন মমতা। বাস্তবেও  তাই দেখা গেল। এক ব্যক্তি এক পদের পথে হাঁটলেন তিনি। যার জেরে তৃণমূলের যুব সভাপতির পদ থেকে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’, আশঙ্কা জানিয়ে মুখ্যসচিবকে তলব রাজ্যপালের।

তাঁর জায়গায় নয়া যুব সভাপতি হয়েছেন সায়নী ঘোষ। গতকাল নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পরেই আজ তৃণমূল কংগ্রেস মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গেলেন তিনি। আসলে নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর দলের প্রবীণ নেতাদের আশীর্বাদ নিতে চাইছেন তিনি। সেই কারণেই পার্থর বাড়িতে অভিষেক। ইতিমধ্যেই গতকাল নিজের নতুন দায়িত্ব পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে ট্যুইট করেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। বলেন, “আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা গোটা দেশের কোনায় কোনায় পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনরকম খামতি রাখবো না। আগামী দিনে তার বার্তা দেশের সর্বোচ্চ পৌঁছে যাবে। দলের যারা বর্ষিয়ান নেতা রয়েছেন প্রত্যেককে আমি আমার সম্মান জানাচ্ছি, তারা নিজেদের সবটুকু দিয়ে দলের সঙ্গে থেকেছেন এবং লড়াই করেছেন।”

তিনি আরও বলেন,”তৃণমূল কংগ্রেস আমাকে যে নতুন পদ দিয়েছে সেটা পেয়ে আমি খুব আপ্লুত। আমি দলের প্রত্যেক সৈনিককে ধন্যবাদ জানাই যারা কাঁধে কাঁধ রেখে লড়াই করে গিয়েছেন এবং গোটা বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে এত বড় জয় এনে দিয়েছেন।” ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, জাতীয় স্তরে ইনিংস শুরু করার আগে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিতেই মহাসচিবের বাড়িতে গিয়েছেন অভিষেক। দায়িত্ব গ্রহণের পর তার এই কর্তব্যবোধ আসলে তৃণমূলে নবীন-প্রবীণ ভারসাম্য বজায় রাখার একটি অপরূপ নিদর্শন। অভিষেকের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি দলের অন্যান্য প্রবীণ নেতার বাড়িতে গিয়েই এভাবেই আশীর্বাদ নিতে চান যুব তৃনমূলের প্রাক্তন সভাপতি।

সম্পাদক হিসেবে নতুন ইনিংস শুরুর আগেই আশীর্বাদ নিতে পার্থর বাড়ি ছুটলেন অভিষেক। তবে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দলের মধ্যে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এটি একটি রাজনৈতিক কৌশল। তবে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, অভিষেকের এই সংস্কৃতিই বাংলার আসল সংস্কৃতি। যত উচ্চতাতেই পৌঁছে যাও না কেন, গুরুজনদের মেনে চলতে হয়। তাঁদের পরামর্শ ও আশীর্বাদই যে কোনও মানুষকে সাফল্য এনে দিতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here